সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধানেক্ষেতে পোকামাকড়ের উপস্থিতি নির্ণয়ে আলোক ফাঁদ

বগুড়ার নন্দীগ্রামে আমন ধানের ক্ষেতে পোকামাকড়ের উপস্থিতি নির্ণয়ে ও দমনে কৃষকদের পরামর্শ দিতে বিভিন্ন ব্লকে আলোক ফাঁদ স্থাপন করেন উপজেলা কৃষি অফিস। পাশাপাশি অনাবৃষ্টির কারণে আমন ধানের ক্ষেত রক্ষায় বিভিন্ন মাঠে সেচ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) উপজেলার কহুলী, বৈলগ্রাম, বেলঘড়িয়া ও পাটগাড়িসহ বিভিন্ন মাঠে আলোক ফাঁদ স্থাপনের মাধ্যমে পোকামাকড়ের উপস্থিতি নির্ণয় করা হয়। এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গাজীউল হকসহ উপজেলা কৃষি অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি স্থানীয় কৃষকরাও এ কার্যক্রমে অংশ নেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, আলোক ফাঁদের মাধ্যমে আমন ধানের ক্ষেতে ক্ষতিকর পোকামাকড়ের উপস্থিতি ও ধরন নির্ণয় করা হচ্ছে। পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে পোকামাকড় দমনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ফসলের সুরক্ষায় কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে আমন ধানের ক্ষেত রক্ষা এবং উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা পাওয়া যাবে বলে আশা করছে উপজেলা কৃষি অফিস।

এদিকে দীর্ঘদিন অনাবৃষ্টির কারণে আমন ধানের ক্ষেতে পানির সংকট দেখা দেওয়ায় ফসল রক্ষায় বিভিন্ন মাঠে সেচ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। এতে ধানের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও ভালো ফলন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা কৃষি অফিস।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গাজীউল হক বলেন, আমন ধানের উৎপাদন বৃদ্ধিতে আমরা মাঠপর্যায়ে কাজ করছি। ধানের ক্ষেতে পোকামাকড়ের উপস্থিতি নির্ণয়ে আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হচ্ছে। পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি অনাবৃষ্টির কারণে ফসলের ক্ষতি এড়াতে বিভিন্ন মাঠে সেচ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। আমন ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি ও ফসলের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে উপজেলা কৃষি অফিসের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয়

ধানেক্ষেতে পোকামাকড়ের উপস্থিতি নির্ণয়ে আলোক ফাঁদ

প্রকাশের সময়: ০৮:৩০:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

বগুড়ার নন্দীগ্রামে আমন ধানের ক্ষেতে পোকামাকড়ের উপস্থিতি নির্ণয়ে ও দমনে কৃষকদের পরামর্শ দিতে বিভিন্ন ব্লকে আলোক ফাঁদ স্থাপন করেন উপজেলা কৃষি অফিস। পাশাপাশি অনাবৃষ্টির কারণে আমন ধানের ক্ষেত রক্ষায় বিভিন্ন মাঠে সেচ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) উপজেলার কহুলী, বৈলগ্রাম, বেলঘড়িয়া ও পাটগাড়িসহ বিভিন্ন মাঠে আলোক ফাঁদ স্থাপনের মাধ্যমে পোকামাকড়ের উপস্থিতি নির্ণয় করা হয়। এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গাজীউল হকসহ উপজেলা কৃষি অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি স্থানীয় কৃষকরাও এ কার্যক্রমে অংশ নেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, আলোক ফাঁদের মাধ্যমে আমন ধানের ক্ষেতে ক্ষতিকর পোকামাকড়ের উপস্থিতি ও ধরন নির্ণয় করা হচ্ছে। পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে পোকামাকড় দমনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ফসলের সুরক্ষায় কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে আমন ধানের ক্ষেত রক্ষা এবং উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা পাওয়া যাবে বলে আশা করছে উপজেলা কৃষি অফিস।

এদিকে দীর্ঘদিন অনাবৃষ্টির কারণে আমন ধানের ক্ষেতে পানির সংকট দেখা দেওয়ায় ফসল রক্ষায় বিভিন্ন মাঠে সেচ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। এতে ধানের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও ভালো ফলন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা কৃষি অফিস।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গাজীউল হক বলেন, আমন ধানের উৎপাদন বৃদ্ধিতে আমরা মাঠপর্যায়ে কাজ করছি। ধানের ক্ষেতে পোকামাকড়ের উপস্থিতি নির্ণয়ে আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হচ্ছে। পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি অনাবৃষ্টির কারণে ফসলের ক্ষতি এড়াতে বিভিন্ন মাঠে সেচ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। আমন ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি ও ফসলের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে উপজেলা কৃষি অফিসের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।