মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর মরদেহ মিলল বিলে

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে নিখোঁজের প্রায় ৪০ ঘণ্টা পর শাম্মী আক্তার (১২) নামে পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালের দিকে বাড়ির পাশের একটি বিলের পানিতে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

শাম্মী আক্তার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের পুনতাইড় (নামা চরপাড়া) গ্রামের শহিদুর রহমানের মেয়ে। সে পুনতাইড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার (১৮ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে অন্য শিশুদের সঙ্গে ছাগল চরাতে বাড়ির অদূরে মাঠে যায় শাম্মী। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলেও অন্য শিশুরা বাড়ি ফিরলেও সে আর ফেরেনি। পরে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। রাত ৮টা পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান না পেয়ে ওই রাতেই গোবিন্দগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন শাম্মীর বাবা।

এরপর মঙ্গলবার সকালে বাড়ির পাশের বিলের পানিতে মানুষের মতো কিছু একটা ভাসতে দেখে এক ব্যক্তি চিৎকার শুরু করেন। খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন সেখানে ভিড় করেন। পরে পানি থেকে মরদেহটি তোলা হলে পরিবারের সদস্যরা শাম্মীকে শনাক্ত করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।

স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোবিন্দগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মীর কায়েস। তিনি জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে পুলিশ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে।

জনপ্রিয়

নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর মরদেহ মিলল বিলে

প্রকাশের সময়: ০৪:৩৮:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে নিখোঁজের প্রায় ৪০ ঘণ্টা পর শাম্মী আক্তার (১২) নামে পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালের দিকে বাড়ির পাশের একটি বিলের পানিতে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

শাম্মী আক্তার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের পুনতাইড় (নামা চরপাড়া) গ্রামের শহিদুর রহমানের মেয়ে। সে পুনতাইড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার (১৮ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে অন্য শিশুদের সঙ্গে ছাগল চরাতে বাড়ির অদূরে মাঠে যায় শাম্মী। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলেও অন্য শিশুরা বাড়ি ফিরলেও সে আর ফেরেনি। পরে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। রাত ৮টা পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান না পেয়ে ওই রাতেই গোবিন্দগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন শাম্মীর বাবা।

এরপর মঙ্গলবার সকালে বাড়ির পাশের বিলের পানিতে মানুষের মতো কিছু একটা ভাসতে দেখে এক ব্যক্তি চিৎকার শুরু করেন। খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন সেখানে ভিড় করেন। পরে পানি থেকে মরদেহটি তোলা হলে পরিবারের সদস্যরা শাম্মীকে শনাক্ত করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।

স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোবিন্দগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মীর কায়েস। তিনি জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে পুলিশ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে।