বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আটক হয়নি ধর্ষক, মামলা তুলে নেয়ার হুমকি

পাবনার সাঁথিয়ায় এক গৃহবধূকে ধর্ষণের ৫ি দন অতিবাহিত হলেও ধর্ষককে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এ দিকে ধর্ষক গ্রেফতার না হওয়ায় উদ্বেগ ও শংকায় রয়েছেন বাদিনীসহ তার পরিবার। মামলা তুলে নেয়ারও হুমকি দিচ্ছে ধর্ষিতার পরিবারকে।

জানা গেছে, সাঁথিয়া পৌরসভাধীন নওয়ানী গ্রামের আবুল কালামের ছেলে লিটন গত ১১ জানুয়ারী দুপুরে প্রতিবেশি এক গৃহবধূর বাড়িতে কেউ না থাকায় কৌশলে তার শয়নকক্ষে গিয়ে গামছা ও ওড়না দিয়ে হাতমুখ বেধে তাকে ধর্ষণ করে। এ ব্যাপারে গত ১২ জানুয়ারী ওই ধর্ষিতা গৃহবধূ বাদী হয়ে লিটনের বিরুদ্ধে সাঁথিয়া থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। ওই গৃহবধূর শশুর জানান, মামলার পর থেকে তারা আমাদেরকে বিভিন্ন প্রকার গালাগালি, ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছে মামলা তুলে নেয়ার জন্য। তারা প্রভাবশালী হওয়ায় আমরা খুব ভয়ে আছি। তিনি বলেন, ধর্ষক হাতমুখ বেধে ধর্ষণ করে বাইরে থেকে ছিটকানি দিয়ে আটকে রেখে যায়। আমি যদি ওই সময় বাড়িতে না আসতাম তাহলে হয়তো সে শ্বাসরোদ্ধ হয়ে মারাও যেতে পারতো। আমি ওর ফাঁসি চাই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রতিবেশী জানান, এই লম্ফট লিটন গ্রামে এমন খারাপ কাজ নেই, করে না। সে এলাকায় মাদকসহ নারী ধর্ষণ ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করে দাপিয়ে বেড়ায়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শাহ আলম জাগো২৪.নেট-কে জানান, ধর্ষক লিটন পলাতক থাকায় তাকে এখনও আটক করতে পারিনি। তবে বিভিন্ন সোর্স লাগিয়েছি। অতি দ্রুত তাকে আটক করতে সক্ষম হব।

জনপ্রিয়

চিরিরবন্দরে ৪ মাদকসেবীর কারাদন্ড-জরিমানা  

আটক হয়নি ধর্ষক, মামলা তুলে নেয়ার হুমকি

প্রকাশের সময়: ০৮:০৯:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২২

পাবনার সাঁথিয়ায় এক গৃহবধূকে ধর্ষণের ৫ি দন অতিবাহিত হলেও ধর্ষককে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এ দিকে ধর্ষক গ্রেফতার না হওয়ায় উদ্বেগ ও শংকায় রয়েছেন বাদিনীসহ তার পরিবার। মামলা তুলে নেয়ারও হুমকি দিচ্ছে ধর্ষিতার পরিবারকে।

জানা গেছে, সাঁথিয়া পৌরসভাধীন নওয়ানী গ্রামের আবুল কালামের ছেলে লিটন গত ১১ জানুয়ারী দুপুরে প্রতিবেশি এক গৃহবধূর বাড়িতে কেউ না থাকায় কৌশলে তার শয়নকক্ষে গিয়ে গামছা ও ওড়না দিয়ে হাতমুখ বেধে তাকে ধর্ষণ করে। এ ব্যাপারে গত ১২ জানুয়ারী ওই ধর্ষিতা গৃহবধূ বাদী হয়ে লিটনের বিরুদ্ধে সাঁথিয়া থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। ওই গৃহবধূর শশুর জানান, মামলার পর থেকে তারা আমাদেরকে বিভিন্ন প্রকার গালাগালি, ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছে মামলা তুলে নেয়ার জন্য। তারা প্রভাবশালী হওয়ায় আমরা খুব ভয়ে আছি। তিনি বলেন, ধর্ষক হাতমুখ বেধে ধর্ষণ করে বাইরে থেকে ছিটকানি দিয়ে আটকে রেখে যায়। আমি যদি ওই সময় বাড়িতে না আসতাম তাহলে হয়তো সে শ্বাসরোদ্ধ হয়ে মারাও যেতে পারতো। আমি ওর ফাঁসি চাই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রতিবেশী জানান, এই লম্ফট লিটন গ্রামে এমন খারাপ কাজ নেই, করে না। সে এলাকায় মাদকসহ নারী ধর্ষণ ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করে দাপিয়ে বেড়ায়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শাহ আলম জাগো২৪.নেট-কে জানান, ধর্ষক লিটন পলাতক থাকায় তাকে এখনও আটক করতে পারিনি। তবে বিভিন্ন সোর্স লাগিয়েছি। অতি দ্রুত তাকে আটক করতে সক্ষম হব।