শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জে বিএনপি ও জাপাসহ ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত এমপি প্রার্থী অধ্যাপক ডা. খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী ও জাতীয় পার্টি (জাপা) মনোনীত এমপি প্রার্থী ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারীসহ ৫ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা।

বাকী ৩ জন হলেন, আমজনতার দলের মো. কওছর আজম হান্নু, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) পরমানন্দ দাস ও এডিপির শরিফুল ইসলাম।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৭ টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নির্বাচনের দায়িত্বে নিয়োজিত রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি।

তিনি বলেন, ১০ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন এ আসন থেকে। ৫ জনকে বৈধ এবং ৫ জনকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়।
প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে অবৈধ ৫ জন হলেন, জামায়াত প্রার্থী অধ্যাপক মো, মাজেদুর রহমান সরকার। এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করার কারণে তার মনোনয়ন পত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া স্বতন্ত্র দুই প্রার্থী ইন্জিনিয়ার মোস্তফা মহসিন সরদার ও সালমা আক্তারকে অবৈধ ঘোষণা করা হয় ওয়ান পার্সেন্ট ভোটের তদন্তে সত্যতা না পাওয়ায়। ইসলামি আন্দলোনের মো রমজান আলীর হলফ নামায় স্বাক্ষর ছিলো না এবং জাতীয় পার্টির মো. মাহফুজুল আলম সার্দারের দলীয় মনোনয়ন পত্রে সমস্যা থাকায় এ দুজনের মনোনয়ন পত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

সুন্দরগঞ্জে বিএনপি ও জাপাসহ ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা

প্রকাশের সময়: ০৯:০২:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত এমপি প্রার্থী অধ্যাপক ডা. খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী ও জাতীয় পার্টি (জাপা) মনোনীত এমপি প্রার্থী ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারীসহ ৫ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা।

বাকী ৩ জন হলেন, আমজনতার দলের মো. কওছর আজম হান্নু, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) পরমানন্দ দাস ও এডিপির শরিফুল ইসলাম।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৭ টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নির্বাচনের দায়িত্বে নিয়োজিত রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি।

তিনি বলেন, ১০ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন এ আসন থেকে। ৫ জনকে বৈধ এবং ৫ জনকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়।
প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে অবৈধ ৫ জন হলেন, জামায়াত প্রার্থী অধ্যাপক মো, মাজেদুর রহমান সরকার। এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করার কারণে তার মনোনয়ন পত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া স্বতন্ত্র দুই প্রার্থী ইন্জিনিয়ার মোস্তফা মহসিন সরদার ও সালমা আক্তারকে অবৈধ ঘোষণা করা হয় ওয়ান পার্সেন্ট ভোটের তদন্তে সত্যতা না পাওয়ায়। ইসলামি আন্দলোনের মো রমজান আলীর হলফ নামায় স্বাক্ষর ছিলো না এবং জাতীয় পার্টির মো. মাহফুজুল আলম সার্দারের দলীয় মনোনয়ন পত্রে সমস্যা থাকায় এ দুজনের মনোনয়ন পত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।