বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এবিএম জাকারিয়ার সরকার জামিল (১৬) নামের এক দাখিল পরীক্ষার্থীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠেছে। খবর পেয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (১ মার্চ) বিকেলের দিকে উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের নলডাঙ্গা এলাকা থেকে জাকারিয়ার সরকার জামিলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত জামিল সরকার নলডাঙ্গা গ্রামের সৌদি প্রবাসী মাহাবুব আলমের ছেলে। সে স্থানীয় কান্তনগর মাদরাসা থেকে দাখিল পরীক্ষার্থী ছিল।

নিহতের স্বজনরা জানায়, একই গ্রামের বেলাল মিয়া ও আমেনা বেগম গংদের সঙ্গে জামিল সরকারের পরিবারের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই একপর্যায়ে গত ২২ ফেব্রুয়ারি বেলাল মিয়ারা দলবদ্ধ হয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এ সময় বাঁধা দিতে গিয়ে লাঠি ও অস্ত্রের আঘাতে জামিল সরকারসহ তাদের বেশ কয়েকজন আহত হন। আহতদের মধ্যে বুকে আঘাতপ্রাপ্ত জামিল সরকার বাড়িতে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় রোববার সকালের দিকে রংপুরে চিকিৎসার জন্য নেওয়ার পথে জামিল সরকার মারা যায়।

এ তথ্য নিশ্চিত করে নিহত এবিএম জাকারিয়ার সরকার জামিলের চাচা বাবুল মিয়া বলেন, প্রতিপক্ষ বেলাল মিয়া গংদের লাঠির আঘাতে আমার ভাতিজার মৃত্যু হয়েছে। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলিম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাদুল্লাপুরে শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

প্রকাশের সময়: ০৭:৫৯:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এবিএম জাকারিয়ার সরকার জামিল (১৬) নামের এক দাখিল পরীক্ষার্থীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠেছে। খবর পেয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (১ মার্চ) বিকেলের দিকে উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের নলডাঙ্গা এলাকা থেকে জাকারিয়ার সরকার জামিলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত জামিল সরকার নলডাঙ্গা গ্রামের সৌদি প্রবাসী মাহাবুব আলমের ছেলে। সে স্থানীয় কান্তনগর মাদরাসা থেকে দাখিল পরীক্ষার্থী ছিল।

নিহতের স্বজনরা জানায়, একই গ্রামের বেলাল মিয়া ও আমেনা বেগম গংদের সঙ্গে জামিল সরকারের পরিবারের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই একপর্যায়ে গত ২২ ফেব্রুয়ারি বেলাল মিয়ারা দলবদ্ধ হয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এ সময় বাঁধা দিতে গিয়ে লাঠি ও অস্ত্রের আঘাতে জামিল সরকারসহ তাদের বেশ কয়েকজন আহত হন। আহতদের মধ্যে বুকে আঘাতপ্রাপ্ত জামিল সরকার বাড়িতে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় রোববার সকালের দিকে রংপুরে চিকিৎসার জন্য নেওয়ার পথে জামিল সরকার মারা যায়।

এ তথ্য নিশ্চিত করে নিহত এবিএম জাকারিয়ার সরকার জামিলের চাচা বাবুল মিয়া বলেন, প্রতিপক্ষ বেলাল মিয়া গংদের লাঠির আঘাতে আমার ভাতিজার মৃত্যু হয়েছে। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলিম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।