বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে অটোভ্যানের সংঘর্ষে প্রাণ গেল বৃদ্ধের  

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় দুই অটোভ্যানের সংঘর্ষে আব্দুল হাকিম (৮৮) নামের এক বৃদ্ধ মারাত্নকভাবে আহত হন। এ ঘটনার পাঁচ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন।

বুধবার (৩ জুন) বিকেল ৩ টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

নিহত আব্দুল হাকিম উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের মন্দুয়ার গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমেছে।

এ তথ্য নিশ্চিত করে নিহতের ছেলে হাফিজার রহমান বাদল বলেন, আমার পিতা আব্দুর হাকিম ঈদের পরদিন শুক্রবার (২৯ মে) একটি অটো ভ্যানযোগে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে বনগ্রামের জয়েনপুর এলাকায় পৌঁছালে অপর একটি অটোভ্যানের সঙ্গে সংর্ঘষ হয়। এতে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহন হন। তাকে উদ্ধার করে ঘটনার দিন দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে বুধবার বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আব্দুল হাকিম মারা যান।

এ বিষয়ে বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ফজলুল কাইয়ুম হুদা বলেন, মন্দুয়ার গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি আব্দুল হাকিমের মৃত্যুর ঘটনাটি লোকমুখে শুনেছি। আল্লাহ তাকে বেহেস্তে নসীব করুক।

সাদুল্লাপুরে অটোভ্যানের সংঘর্ষে প্রাণ গেল বৃদ্ধের  

প্রকাশের সময়: ০৫:০৩:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় দুই অটোভ্যানের সংঘর্ষে আব্দুল হাকিম (৮৮) নামের এক বৃদ্ধ মারাত্নকভাবে আহত হন। এ ঘটনার পাঁচ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন।

বুধবার (৩ জুন) বিকেল ৩ টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

নিহত আব্দুল হাকিম উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের মন্দুয়ার গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমেছে।

এ তথ্য নিশ্চিত করে নিহতের ছেলে হাফিজার রহমান বাদল বলেন, আমার পিতা আব্দুর হাকিম ঈদের পরদিন শুক্রবার (২৯ মে) একটি অটো ভ্যানযোগে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে বনগ্রামের জয়েনপুর এলাকায় পৌঁছালে অপর একটি অটোভ্যানের সঙ্গে সংর্ঘষ হয়। এতে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহন হন। তাকে উদ্ধার করে ঘটনার দিন দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে বুধবার বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আব্দুল হাকিম মারা যান।

এ বিষয়ে বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ফজলুল কাইয়ুম হুদা বলেন, মন্দুয়ার গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি আব্দুল হাকিমের মৃত্যুর ঘটনাটি লোকমুখে শুনেছি। আল্লাহ তাকে বেহেস্তে নসীব করুক।