রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে মসজিদের এসি বরাদ্দের টাকা আত্নসাতের অভিযোগ

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের এসি বরাদ্দের ২ লাখ ১৭ হাজার টাকা আত্নসাতের অভিযোগ ওঠেছে। এ ঘটনায় ইউএনও বরাবরে একটি অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।

রোববার (১২ জুলাই) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ওই মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি খাইরুল ইসলাম।

অভিযোগে বলা হয়- তৎকালীন গাইবান্ধা-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রয়াত ডা. ইউনুস আলী সরকার টিআর-কাবিটা প্রকল্প থেকে ভাতগ্রাম কেন্দ্রীয় মসজিদের জন্য এয়াকন্ডিশন (এসি) বরাদ্দ দেন। এর বিপরীদে প্রকল্প সভাপতি জাবের হোসাইন ২ লাখ ১৭ হাজার টাকা উত্তোলন করেন। প্রায় ৬ বছর আগে গোপনে এই টাকা উত্তোলন করে পকেটস্থ করেছেন তিনি। সম্প্রতি এ ঘটনাটি ফাঁস হলে মুসল্লিদের মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠেছে।

ভাতগ্রাম কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সহ-সভাপতি খাইরুল ইসলাম বলেন, সেই সময়ে এসির জন্য ২ লাখ ১৭ হাজার টাকা উত্তোলন করেছেন জাবের হোসানইন। সেটি অধিকাংশ মুসল্লি জানতাম না। সম্প্রতি ঘটনাটি ফাঁস হয়েছে। সমুদয় টাকা আত্নসাত করেছে প্রকল্পের সভাপতি জাবের হোসাইন।

তিনি আরও বলেন, সেই সময়ের তুলনায় বর্তমানে এসির দাম দ্বিগুণ। সৃষ্ট এ ঘটনায় ইউএনও ও পিআইও বরাবর অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

এ বিষয়ে মসজিদটির ইমাম ও প্রকল্প সভাপতি জাবের হোসাইন বলেন, এসির ২ লাখ ১৭ হাজার টাকার মধ্যে মসজিদ কমিটির সভাপতি নাজমুল হাসান সুমনের কাছে ১ লাখ ১৭ হাজার টাকা রয়েছে। বাকি টাকা আমার কাছে আছে। চাইলে মসজিদের কাজের জন্য সমুদয় টাকা জমা করা হবে।

সাদুল্লাপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মইনুল হক জানান, ওই প্রকল্পের টাকা আত্নসাত সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়টি দেখার জন্য ইউএনও স্যারের নির্দেশনা পেয়েছি। যা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয়

সাদুল্লাপুরে মসজিদের এসি বরাদ্দের টাকা আত্নসাতের অভিযোগ

প্রকাশের সময়: ০৫:৪৫:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের এসি বরাদ্দের ২ লাখ ১৭ হাজার টাকা আত্নসাতের অভিযোগ ওঠেছে। এ ঘটনায় ইউএনও বরাবরে একটি অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।

রোববার (১২ জুলাই) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ওই মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি খাইরুল ইসলাম।

অভিযোগে বলা হয়- তৎকালীন গাইবান্ধা-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রয়াত ডা. ইউনুস আলী সরকার টিআর-কাবিটা প্রকল্প থেকে ভাতগ্রাম কেন্দ্রীয় মসজিদের জন্য এয়াকন্ডিশন (এসি) বরাদ্দ দেন। এর বিপরীদে প্রকল্প সভাপতি জাবের হোসাইন ২ লাখ ১৭ হাজার টাকা উত্তোলন করেন। প্রায় ৬ বছর আগে গোপনে এই টাকা উত্তোলন করে পকেটস্থ করেছেন তিনি। সম্প্রতি এ ঘটনাটি ফাঁস হলে মুসল্লিদের মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠেছে।

ভাতগ্রাম কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সহ-সভাপতি খাইরুল ইসলাম বলেন, সেই সময়ে এসির জন্য ২ লাখ ১৭ হাজার টাকা উত্তোলন করেছেন জাবের হোসানইন। সেটি অধিকাংশ মুসল্লি জানতাম না। সম্প্রতি ঘটনাটি ফাঁস হয়েছে। সমুদয় টাকা আত্নসাত করেছে প্রকল্পের সভাপতি জাবের হোসাইন।

তিনি আরও বলেন, সেই সময়ের তুলনায় বর্তমানে এসির দাম দ্বিগুণ। সৃষ্ট এ ঘটনায় ইউএনও ও পিআইও বরাবর অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

এ বিষয়ে মসজিদটির ইমাম ও প্রকল্প সভাপতি জাবের হোসাইন বলেন, এসির ২ লাখ ১৭ হাজার টাকার মধ্যে মসজিদ কমিটির সভাপতি নাজমুল হাসান সুমনের কাছে ১ লাখ ১৭ হাজার টাকা রয়েছে। বাকি টাকা আমার কাছে আছে। চাইলে মসজিদের কাজের জন্য সমুদয় টাকা জমা করা হবে।

সাদুল্লাপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মইনুল হক জানান, ওই প্রকল্পের টাকা আত্নসাত সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়টি দেখার জন্য ইউএনও স্যারের নির্দেশনা পেয়েছি। যা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।