শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে এসে জামাইয়ের রহস্যজনক মৃত্য

পাবনায় শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। পুলিশের দাবি, ওই যুবক রাতে আত্মহত্যা করার পর স্থানীয়রা তার লাশ পুকুরের ডোবায় ফেলে দেয়।
শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের নলদহ পূর্বপাড়া লালগোলা এলাকার একটি মসজিদের পাশের ডোবা থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত তুহিন খা (২০) সদর উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়নের টাটিপাড়া গ্রামের হাবিবুর রহমান ওরফে হাবি খার ছেলে। তার শ্বশুর আবতার হোসেন দুবাই প্রবাসী এবং স্ত্রীর নাম আফসানা খাতুন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার তুহিন শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে আসেন। সন্ধ্যার দিকে স্ত্রী আফসানার সঙ্গে পারিবারিক ঝগড়া হয়। তুহিন বিভিন্ন ধরনের নেশায় আসক্ত ছিলেন এবং মাদক সেবন নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়।
এরপর সকালে স্থানীয়রা বাড়ির পাশের পুকুরের ডোবায় তুহিনের মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার গলায় গামছা পেঁচানো লাশ উদ্ধার করে।
তবে মৃত্যুর ঘটনাটি নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলামের বক্তব্যে। তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই যুবক রাতে মসজিদের বারান্দায় আত্মহত্যা করেছে।
রাত আনুমানিক দুইটার দিকে আমরা আত্ম হত্যার খবর পাই। তবে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই এক রহস্যময় পরিস্থিতিতে লাশটি সেখান থেকে গায়েব হয়ে যায়।
স্থানীয় কিছু লোক রাতে তার মরদেহটি সরিয়ে পুকুরের ডোবায় ফেলে দেয়। পরে সকালে মরদেহ পুকুরে ভাসতে দেখে পুলিশে আবার খবর দেওয়া হয়।’
তিনি আরও জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষেই পরিষ্কার হবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা।
এই ঘটনার পেছনে অন্য কোনো রহস্য বা অপরাধ লুকিয়ে আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
জনপ্রিয়

শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে এসে জামাইয়ের রহস্যজনক মৃত্য

প্রকাশের সময়: ০৩:২৯:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
পাবনায় শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। পুলিশের দাবি, ওই যুবক রাতে আত্মহত্যা করার পর স্থানীয়রা তার লাশ পুকুরের ডোবায় ফেলে দেয়।
শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের নলদহ পূর্বপাড়া লালগোলা এলাকার একটি মসজিদের পাশের ডোবা থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত তুহিন খা (২০) সদর উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়নের টাটিপাড়া গ্রামের হাবিবুর রহমান ওরফে হাবি খার ছেলে। তার শ্বশুর আবতার হোসেন দুবাই প্রবাসী এবং স্ত্রীর নাম আফসানা খাতুন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার তুহিন শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে আসেন। সন্ধ্যার দিকে স্ত্রী আফসানার সঙ্গে পারিবারিক ঝগড়া হয়। তুহিন বিভিন্ন ধরনের নেশায় আসক্ত ছিলেন এবং মাদক সেবন নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়।
এরপর সকালে স্থানীয়রা বাড়ির পাশের পুকুরের ডোবায় তুহিনের মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার গলায় গামছা পেঁচানো লাশ উদ্ধার করে।
তবে মৃত্যুর ঘটনাটি নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলামের বক্তব্যে। তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই যুবক রাতে মসজিদের বারান্দায় আত্মহত্যা করেছে।
রাত আনুমানিক দুইটার দিকে আমরা আত্ম হত্যার খবর পাই। তবে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই এক রহস্যময় পরিস্থিতিতে লাশটি সেখান থেকে গায়েব হয়ে যায়।
স্থানীয় কিছু লোক রাতে তার মরদেহটি সরিয়ে পুকুরের ডোবায় ফেলে দেয়। পরে সকালে মরদেহ পুকুরে ভাসতে দেখে পুলিশে আবার খবর দেওয়া হয়।’
তিনি আরও জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষেই পরিষ্কার হবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা।
এই ঘটনার পেছনে অন্য কোনো রহস্য বা অপরাধ লুকিয়ে আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।