গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম সোনার ওপর নিষিদ্ধ কার্যক্রম দামোদুরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা আব্দুল খালেকের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ ওঠেছে। এরই প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) কামারপাড়া বাজারে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন- কামারপাড়া ইউনিয়ন যুব দলের সাবেক সভাপতি সাজেদুল ইসলাম সাজু, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম শফিক, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক, সাজন মিয়া, তাঁতী দলের আহ্বায়ক মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, সদস্য সচিব মোহাম্মদ মোস্তা মিয়া, মৎসজীবী দলের আহ্বায়ক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম রফিক প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তরা বলেন, শহিদুল ইসলাম সোনা নিজ পুকুরে মাছের উৎপাদন বাড়াতে পুকুরের মাটি কেটে ট্রাক্টরে করে সাদুল্লাপুর-নলডাঙ্গা রাস্তার নির্মাণ কাজে দিতেন। এই রাস্তায় একই উপজেলার প্রতিপক্ষ পূর্ব দামোদরপুর গ্রামের মৃত আব্দুস কুদ্দুছ মিয়ার ছেলে মাটি ব্যবসায়ী ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল খালেক নিজে মাটি দিতে না পেরে শহিদুল ইসলাম সোনাকে মাটি দিতে নিষেধ করেন। নিষেধের পরেও মাটি দিতে থাকলে প্রতিপক্ষ খালেক তার পক্ষের লোকজন নিয়ে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করেন। চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করিলে ক্ষিপ্ততা পোষণ করে আসেন।
এমতাবস্থায় গত ২৭ জুন সকাল ৭ টায় শহিদুল ইসলাম সোনা দামোদরপুর গ্রামের সুজা মিয়ার মুদির দোকানে গেলে ক্ষিপ্ত প্রতিপক্ষ ঘটনার জের ধরে পূর্ব-পরিকল্পিত ভাবে হাতে লাঠি, লোহার রড ও ছোরা নিয়ে দলবদ্ধ হয়ে বর্বরোচিত হামলা করে শহিদুল ইসলাম সোনাকে গুরুতর আহত করেন। খবর পেয়ে ছেলে বিপ্লব হোসেনসহ প্রতিবেশী হুমায়ন মিয়া উদ্ধারে এগিয়ে এলে তাদেরও বেধড়ক আঘাত করে আহত করা হয়। এ সময় আহতদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে সাদুল্লাপুর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শহিদুল ইসলাম সোনা গত ২ জুলাই আব্দুল খালেকসহ ১০ জন এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ৩০ জনকে অভিযুক্ত করে সাদুল্লাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 
















