গাইবান্ধার ফুলছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষায় নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের অনিয়মিতদের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুন) অনুষ্ঠিত এইচএসসি বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় কেন্দ্রটির দুটি কক্ষে বসা নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের কাছে ভুলবশত অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়।
পরীক্ষা শেষে লিখিত প্রশ্নপত্র মিলিয়ে দেখার পর বিষয়টি নিশ্চিত হন পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
এ বিষয়ে পরীক্ষার্থীরা বলেন, আমাদেরকে ভুল প্রশ্ন দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। আমাদের ফলাফল এখন ঝুঁকিতে।
অভিভাবকগণ বলেন, এমন ভুলে আমাদের সন্তানদের একটি বছর হারিয়ে যেতে পারে। আমরা এ ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে বিচার চাই।
ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে সাঘাটা উপজেলার উদয়ন মহিলা ডিগ্রি কলেজ এবং ফুলছড়ি উপজেলার বুড়াইল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রায় ২৫ জন পরীক্ষার্থী রয়েছেন বলে জানা গেছে।
ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টি জানার পর পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা কেন্দ্র সচিব ও কলেজের অধ্যক্ষের কাছে অভিযোগ জানান।
এদিকে, ঘটনাটি জানাজানি হলে কলেজ প্রাঙ্গণে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভিড় জমে যায়। তারা এ ধরনের অব্যবস্থাপনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান নেন।
এ বিষয়ে অধ্যক্ষ এস. এম. আসাদুল ইসলামের বলেন, যে প্রশ্নপত্রেই পরীক্ষা নেওয়া হোক, সেই প্রশ্নপত্রের ভিত্তিতেই মূল্যায়ন করা হবে। আমি এ বিষয়ে শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে কথা বলেছি।
ফুলছড়ি ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ মশিউর রহমান বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ কাজ করছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
গাইবান্ধা জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আতাউর রহমান বলেন, ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা গ্রহণের দায় সম্পূর্ণ কেন্দ্র সচিবের। বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের আলাদা কক্ষে বসানোর কথা। পাশাপাশি প্রশ্নপত্র বিতরণের আগে তা যথাযথভাবে যাচাই—বাছাই নিশ্চিত করারও নির্দেশনা রয়েছে।
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 











