বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে এক বিদ্যালয়ে ৫ শিক্ষার্থীর পাস করেনি কেউ!

দিনাজপুর বোর্ডের অধীনে সদ্য প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার একটি বিদ্যালয়ে কর্মরত ১৩ জন শিক্ষক-কর্মচারীর পাঁচ জন শিক্ষার্থীর কেউ পাস করেনি। শতভাগ অকৃতকার্য ফলাফলের কারনে চরম উদ্বিগ্ন অন্য শ্রেণির ছাত্রীরাসহ অভিভাবকরা।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার উত্তর দামোদরপুর কাজীপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি বিগত ১৯৮৪ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। গত ১৯৮৭ সালে জুনিয়র হাইস্কুল হিসেবে এমপিও ভুক্ত হয়। আর এ বছরেই প্রথম বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি পায়। এরপর চলতি বছরে পাঁচজন পরীক্ষার্থী অংশ নেয় কিন্তু তারা কেউ পাস করেনি।

বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বাকী বিল্লাহ বলেন, এ বিদ্যালয়ে মোট ৭ শিক্ষক ও ৬ কর্মচারী কর্মরত আছেন। তারা সবাই নিয়মিত বেতন ভাতা পান। হঠাৎ করে ফলাফল বিপর্যয়ে আমরা সবাই মর্মাহত। আগমী বছরে ভালো ফলাফলের চেষ্টা করা হবে।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব)  সৈয়দ মনিরুল হাসান কি কারণে শতভাগ ফেল হয়েছে। এ নিয়ে বিদ্যালয় প্রধানের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে। এছাড়া বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয়

সুন্দরগঞ্জে দৈনিক করতোয়া পত্রিকার ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন

সাদুল্লাপুরে এক বিদ্যালয়ে ৫ শিক্ষার্থীর পাস করেনি কেউ!

প্রকাশের সময়: ০৫:১৪:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

দিনাজপুর বোর্ডের অধীনে সদ্য প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার একটি বিদ্যালয়ে কর্মরত ১৩ জন শিক্ষক-কর্মচারীর পাঁচ জন শিক্ষার্থীর কেউ পাস করেনি। শতভাগ অকৃতকার্য ফলাফলের কারনে চরম উদ্বিগ্ন অন্য শ্রেণির ছাত্রীরাসহ অভিভাবকরা।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার উত্তর দামোদরপুর কাজীপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি বিগত ১৯৮৪ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। গত ১৯৮৭ সালে জুনিয়র হাইস্কুল হিসেবে এমপিও ভুক্ত হয়। আর এ বছরেই প্রথম বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি পায়। এরপর চলতি বছরে পাঁচজন পরীক্ষার্থী অংশ নেয় কিন্তু তারা কেউ পাস করেনি।

বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বাকী বিল্লাহ বলেন, এ বিদ্যালয়ে মোট ৭ শিক্ষক ও ৬ কর্মচারী কর্মরত আছেন। তারা সবাই নিয়মিত বেতন ভাতা পান। হঠাৎ করে ফলাফল বিপর্যয়ে আমরা সবাই মর্মাহত। আগমী বছরে ভালো ফলাফলের চেষ্টা করা হবে।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব)  সৈয়দ মনিরুল হাসান কি কারণে শতভাগ ফেল হয়েছে। এ নিয়ে বিদ্যালয় প্রধানের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে। এছাড়া বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।