সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অভাবের দেয়াল পেরিয়ে স্বপ্নের পথে গাইবান্ধার মেধাবীরা

স্বপ্ন আছে, মেধাও আছে। কিন্তু উচ্চশিক্ষার পথে বারবার সামনে এসে দাঁড়ায় অভাবের দেয়াল। পরিবারের সীমিত আয়, একাধিক সন্তানের পড়াশোনার খরচ কিংবা সংসারের নিত্যদিনের ব্যয়—সবকিছুর সঙ্গে লড়েই এগিয়ে যেতে হয় অনেক শিক্ষার্থীকে। সেই লড়াইয়ে একটু সহায়তা, একটু স্বীকৃতি আর কিছুটা উৎসাহই হয়ে উঠতে পারে বড় শক্তি।

গাইবান্ধায় এমনই মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে সৃজনশীল গাইবান্ধা ফাউন্ডেশন ও সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো। শিক্ষাবৃত্তির পাশাপাশি এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের দেওয়া হয়েছে সংবর্ধনা।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) গাইবান্ধা সরকারি কলেজের দর্শন বিভাগে এসএসসি শিক্ষাবৃত্তি ও জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী সংবর্ধনা ২০২৬ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় নগদ বৃত্তি, বই, সনদপত্র, ক্রেস্ট, নোটপ্যাডসহ বিভিন্ন উপহার। মেধা যেখানে, সম্ভাবনা সেখানে- স্লোগানে তৃতীয়বারের মতো এ আয়োজন করা হয়।

বিশেষ সম্মাননা পেয়েছে আহমেদ উদ্দিন শাহ শিশু নিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী রাইয়ান জানিক সরকার। এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে তৃতীয় এবং গাইবান্ধা জেলায় প্রথম হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেছে সে।

বক্তব্য দেন গাইবান্ধা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুর রশিদসহ শিক্ষক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।

অনুষ্ঠানে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তাঁদের কথায় উঠে আসে সীমিত সামর্থ্যের মধ্যে সন্তানদের পড়াশোনা চালিয়ে নেওয়ার সংগ্রাম। শিক্ষার্থীদের কেউ চিকিৎসক, কেউ প্রকৌশলী, কেউবা অন্য কোনো পেশায় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্নের কথা জানায়। তাদের প্রত্যাশা—অভাব যেন সেই স্বপ্নের পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়।

আয়োজকেরা বলেন, আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর পড়াশোনা থেমে যাক—এটি তাঁরা চান না। তাঁদের বিশ্বাস, একটি ছোট সহায়তাও একজন শিক্ষার্থীর আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তাকে স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে দিতে পারে।

বিজ্ঞাপন

 

জনপ্রিয়

অভাবের দেয়াল পেরিয়ে স্বপ্নের পথে গাইবান্ধার মেধাবীরা

অভাবের দেয়াল পেরিয়ে স্বপ্নের পথে গাইবান্ধার মেধাবীরা

প্রকাশের সময়: ০৫:৩৬:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্বপ্ন আছে, মেধাও আছে। কিন্তু উচ্চশিক্ষার পথে বারবার সামনে এসে দাঁড়ায় অভাবের দেয়াল। পরিবারের সীমিত আয়, একাধিক সন্তানের পড়াশোনার খরচ কিংবা সংসারের নিত্যদিনের ব্যয়—সবকিছুর সঙ্গে লড়েই এগিয়ে যেতে হয় অনেক শিক্ষার্থীকে। সেই লড়াইয়ে একটু সহায়তা, একটু স্বীকৃতি আর কিছুটা উৎসাহই হয়ে উঠতে পারে বড় শক্তি।

গাইবান্ধায় এমনই মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে সৃজনশীল গাইবান্ধা ফাউন্ডেশন ও সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো। শিক্ষাবৃত্তির পাশাপাশি এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের দেওয়া হয়েছে সংবর্ধনা।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) গাইবান্ধা সরকারি কলেজের দর্শন বিভাগে এসএসসি শিক্ষাবৃত্তি ও জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী সংবর্ধনা ২০২৬ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় নগদ বৃত্তি, বই, সনদপত্র, ক্রেস্ট, নোটপ্যাডসহ বিভিন্ন উপহার। মেধা যেখানে, সম্ভাবনা সেখানে- স্লোগানে তৃতীয়বারের মতো এ আয়োজন করা হয়।

বিশেষ সম্মাননা পেয়েছে আহমেদ উদ্দিন শাহ শিশু নিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী রাইয়ান জানিক সরকার। এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে তৃতীয় এবং গাইবান্ধা জেলায় প্রথম হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেছে সে।

বক্তব্য দেন গাইবান্ধা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুর রশিদসহ শিক্ষক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।

অনুষ্ঠানে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তাঁদের কথায় উঠে আসে সীমিত সামর্থ্যের মধ্যে সন্তানদের পড়াশোনা চালিয়ে নেওয়ার সংগ্রাম। শিক্ষার্থীদের কেউ চিকিৎসক, কেউ প্রকৌশলী, কেউবা অন্য কোনো পেশায় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্নের কথা জানায়। তাদের প্রত্যাশা—অভাব যেন সেই স্বপ্নের পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়।

আয়োজকেরা বলেন, আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর পড়াশোনা থেমে যাক—এটি তাঁরা চান না। তাঁদের বিশ্বাস, একটি ছোট সহায়তাও একজন শিক্ষার্থীর আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তাকে স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে দিতে পারে।

বিজ্ঞাপন