মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
টাকা না দেওয়ার সতর্কতা

গাইবান্ধা জেলা বিএনপি সভাপতির হোয়াটসঅ্যাপ হ্যাক

গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিকের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর হ্যাক হয়েছে। হ্যাক হওয়া নম্বর ব্যবহার করে কেউ টাকা চাইলে তা না দিতে পরিচিতজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সতর্ক করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, আমি অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক। আমার হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার হ্যাক হয়েছে, যদি কেউ টাকা চায় টাকা দেবেন না।

তার এই পোস্টের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে। পোস্টের মন্তব্যে বিপুল কুমার দাস নামে একজন লিখেছেন, ‘আমার কাছে চেয়েছে।’ এতে হ্যাক হওয়া নম্বর ব্যবহার করে পরিচিতজনের কাছে টাকা চাওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে।

এ ঘটনায় প্রতারণার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কেউ তার পরিচয় ব্যবহার করে জরুরি প্রয়োজন, বিপদ বা অন্য কোনো অজুহাতে টাকা চাইতে পারে। তাই তার পরিচিতজন, দলীয় নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

বিশেষ করে হোয়াটসঅ্যাপে তার নম্বর থেকে টাকা চাওয়া হলে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন না করে বিকল্প যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি তার সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি। পাশাপাশি তিনি জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার মতো পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তির হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর হ্যাকের ঘটনায় পরিচিতজনদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক বলেন, আমার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে কেউ টাকা চাইলে কেউ টাকা দেবেন না। এ ধরনের কোনো বার্তা বা আর্থিক লেনদেনের অনুরোধ পেলে তা বিশ্বাস না করে সরাসরি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হবেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

টাকা না দেওয়ার সতর্কতা

গাইবান্ধা জেলা বিএনপি সভাপতির হোয়াটসঅ্যাপ হ্যাক

প্রকাশের সময়: ০১:৪১:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিকের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর হ্যাক হয়েছে। হ্যাক হওয়া নম্বর ব্যবহার করে কেউ টাকা চাইলে তা না দিতে পরিচিতজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সতর্ক করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, আমি অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক। আমার হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার হ্যাক হয়েছে, যদি কেউ টাকা চায় টাকা দেবেন না।

তার এই পোস্টের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে। পোস্টের মন্তব্যে বিপুল কুমার দাস নামে একজন লিখেছেন, ‘আমার কাছে চেয়েছে।’ এতে হ্যাক হওয়া নম্বর ব্যবহার করে পরিচিতজনের কাছে টাকা চাওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে।

এ ঘটনায় প্রতারণার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কেউ তার পরিচয় ব্যবহার করে জরুরি প্রয়োজন, বিপদ বা অন্য কোনো অজুহাতে টাকা চাইতে পারে। তাই তার পরিচিতজন, দলীয় নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

বিশেষ করে হোয়াটসঅ্যাপে তার নম্বর থেকে টাকা চাওয়া হলে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন না করে বিকল্প যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি তার সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি। পাশাপাশি তিনি জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার মতো পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তির হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর হ্যাকের ঘটনায় পরিচিতজনদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক বলেন, আমার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে কেউ টাকা চাইলে কেউ টাকা দেবেন না। এ ধরনের কোনো বার্তা বা আর্থিক লেনদেনের অনুরোধ পেলে তা বিশ্বাস না করে সরাসরি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হবেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।