শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাবনায় বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষককে পুলিশে সোপর্দ

পাবনার ভজেন্দাপুর জামেয়া ফারুকিয়া মাদ্রাসার বাংলা শিক্ষক মাওলানা আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে আট বছর বয়সী এক বালককে ঘুমন্ত অবস্থায় বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে মাদ্রাসায় ওই ঘটনা ঘটে। পরে শিশুটি বাড়িতে গিয়ে তার অভিভাবকদের কাছে বিষয়টি জানায়। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
পরে এলাকাবাসী অভিযুক্ত শিক্ষককে মাদ্রাসার একটি কক্ষে আটকে রাখেন। গত ২৪ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে তাকে পাবনা সদর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে। তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ঘটনার প্রকৃত তথ্য জানা যাবে।
এ বিষয়ে জামেয়া ফারুকিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা রবিউল ইসলাম বলেন, “ঘটনাটি জানার পর মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং আইনগত প্রক্রিয়ায় সহযোগিতার জন্য অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।
 তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে চূড়ান্ত মন্তব্য করা সম্ভব নয়। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে এবং তদন্তে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।”
অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা-ও প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
জনপ্রিয়

পাবনায় বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষককে পুলিশে সোপর্দ

প্রকাশের সময়: ০৪:৪৯:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পাবনার ভজেন্দাপুর জামেয়া ফারুকিয়া মাদ্রাসার বাংলা শিক্ষক মাওলানা আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে আট বছর বয়সী এক বালককে ঘুমন্ত অবস্থায় বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে মাদ্রাসায় ওই ঘটনা ঘটে। পরে শিশুটি বাড়িতে গিয়ে তার অভিভাবকদের কাছে বিষয়টি জানায়। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
পরে এলাকাবাসী অভিযুক্ত শিক্ষককে মাদ্রাসার একটি কক্ষে আটকে রাখেন। গত ২৪ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে তাকে পাবনা সদর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে। তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ঘটনার প্রকৃত তথ্য জানা যাবে।
এ বিষয়ে জামেয়া ফারুকিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা রবিউল ইসলাম বলেন, “ঘটনাটি জানার পর মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং আইনগত প্রক্রিয়ায় সহযোগিতার জন্য অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।
 তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে চূড়ান্ত মন্তব্য করা সম্ভব নয়। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে এবং তদন্তে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।”
অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা-ও প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।