বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে অনুমতি ছাড়াই রাস্তার পাশের গাছ কাটার অভিযোগ

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার এলজিইডির রাস্তার পাশে বিশালাকৃতির একটি রেইন্ট্রি গাছ অনুমতি ছাড়াই কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে গাবুর আলী নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। তাদের অভিযোগ, সড়কের পাশে থাকা এই গাছ কোনো ধরনের অনুমতি না নিয়েই কেটে ফেলা হয়েছে।

এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (৯ আগস্ট) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম সেলিম।

স্থানীয়রা জানান, ভাতগ্রাম ইউনিয়নের খোদাবক্স মৌজাস্থ এলজিইডির রাস্তার পাশে বিশালাকৃতির একটি রেইন্ট্রি গাছটি দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষা করছিল। এরই মধ্যে গত ২৭ জুলাই কতিপয় স্বার্থন্বেশী ব্যক্তির ছত্রছায়ায় মৃত বানা মিয়ার ছেলে গাবুর আলী ওই গাছটি অবৈধভাবে কেটে ফেলেন। এরপর গাছের গুড়িগুলো অন্যত্র বিক্রির চেষ্টার সময় স্থানীয়দের তোপের মুখে পড়েন গাবুর আলী। এরপর থেকে গাছের গুড়িগুলো বাড়ির আঙিনায় পড়ে রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের নজরদারি না থাকলে যেকোনো মুহূর্তে গাছের গুড়িগুলো গোপনে বিক্রি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয়রা বলছেন, বড় ধরণের এই গাছটি দীর্ঘদিন ধরে সড়কের সৌন্দর্য ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছিল। গাবুর আলী হঠাৎ করে গাছ কাটার ঘটনায় তারা বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ। তাদের অভিযোগ, এই গাছটি গাবুর আলী তার মালিকানায় বৈধ করার জন্য স্থানীয় ইউপির কিছু জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আতাঁত করে প্রত্যায়ন নিয়েছেন। অথচ এই গাছে সরকারের স্বার্থ রয়েছে। তাই গাছ কাটার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত গাবুর আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার ভাই আমজাদ আলী বলেন, রাস্তার পাশের রেইন্ট্রি গাছটি আমাদের মালিকানা জমিতে দাঁড়িয়ে ছিল। ইতোমধ্যে সেটি আমরা কেটে নিয়েছি।

ভাতগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহফুজার রহমান বলেন, ওই গাছটি মালিকানা বলে মনে হচ্ছে। তাই এসকেএস কাগজ করে সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে ভাতগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম সেলিম বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনা স্থল পরিদর্শন করা করা হয়েছে। সরকারি নাকি মালিকানা স্বার্থে এই গাছ সেটি সরকারি সার্ভেয়ার দিয়ে মেপে দেখা হবে।

জনপ্রিয়

সাদুল্লাপুরে অনুমতি ছাড়াই রাস্তার পাশের গাছ কাটার অভিযোগ

প্রকাশের সময়: ০৬:১২:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার এলজিইডির রাস্তার পাশে বিশালাকৃতির একটি রেইন্ট্রি গাছ অনুমতি ছাড়াই কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে গাবুর আলী নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। তাদের অভিযোগ, সড়কের পাশে থাকা এই গাছ কোনো ধরনের অনুমতি না নিয়েই কেটে ফেলা হয়েছে।

এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (৯ আগস্ট) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম সেলিম।

স্থানীয়রা জানান, ভাতগ্রাম ইউনিয়নের খোদাবক্স মৌজাস্থ এলজিইডির রাস্তার পাশে বিশালাকৃতির একটি রেইন্ট্রি গাছটি দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষা করছিল। এরই মধ্যে গত ২৭ জুলাই কতিপয় স্বার্থন্বেশী ব্যক্তির ছত্রছায়ায় মৃত বানা মিয়ার ছেলে গাবুর আলী ওই গাছটি অবৈধভাবে কেটে ফেলেন। এরপর গাছের গুড়িগুলো অন্যত্র বিক্রির চেষ্টার সময় স্থানীয়দের তোপের মুখে পড়েন গাবুর আলী। এরপর থেকে গাছের গুড়িগুলো বাড়ির আঙিনায় পড়ে রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের নজরদারি না থাকলে যেকোনো মুহূর্তে গাছের গুড়িগুলো গোপনে বিক্রি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয়রা বলছেন, বড় ধরণের এই গাছটি দীর্ঘদিন ধরে সড়কের সৌন্দর্য ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছিল। গাবুর আলী হঠাৎ করে গাছ কাটার ঘটনায় তারা বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ। তাদের অভিযোগ, এই গাছটি গাবুর আলী তার মালিকানায় বৈধ করার জন্য স্থানীয় ইউপির কিছু জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আতাঁত করে প্রত্যায়ন নিয়েছেন। অথচ এই গাছে সরকারের স্বার্থ রয়েছে। তাই গাছ কাটার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত গাবুর আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার ভাই আমজাদ আলী বলেন, রাস্তার পাশের রেইন্ট্রি গাছটি আমাদের মালিকানা জমিতে দাঁড়িয়ে ছিল। ইতোমধ্যে সেটি আমরা কেটে নিয়েছি।

ভাতগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহফুজার রহমান বলেন, ওই গাছটি মালিকানা বলে মনে হচ্ছে। তাই এসকেএস কাগজ করে সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে ভাতগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম সেলিম বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনা স্থল পরিদর্শন করা করা হয়েছে। সরকারি নাকি মালিকানা স্বার্থে এই গাছ সেটি সরকারি সার্ভেয়ার দিয়ে মেপে দেখা হবে।