বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জে ‘পাঠোন্নতি ও সময়ানুবর্তিতা’ শীর্ষক মা সমাবেশ

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে এসএসসি-২০২৭ প্রস্তুতি ব্যাচের টেস্ট পরীক্ষা সামনে রেখে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগ, সময়ের সঠিক ব্যবহার ও পরীক্ষার প্রস্তুতি জোরদারে ‘পাঠোন্নতি ও সময়ানুবর্তিতা’ শীর্ষক মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার দুপুরে উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের ধর্মপুরে স্টাডি কেয়ার বিদ্যাপীঠের আয়োজনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে দুই শতাধিক অভিভাবকসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও ফলগাছা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো. জাহিদুল ইসলাম জাহিদ।

স্টাডি কেয়ার বিদ্যাপীঠের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. মামুনুর রশিদ মামুনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন গাইবান্ধা মাদকবিরোধী ছাত্র ঐক্যের সমন্বয়ক মো. ময়নুল হুদা এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক সুদীপ্ত শামীম। সমাবেশে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরাও বক্তব্য দেন।

বক্তারা বলেন, ভালো ফলাফলের জন্য শুধু শ্রেণিকক্ষের পাঠদান যথেষ্ট নয়। নিয়মিত পড়াশোনা, সময়ানুবর্তিতা ও অভিভাবকদের সচেতন ভূমিকা শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। সন্তান কখন পড়ছে, কীভাবে সময় কাটাচ্ছে এবং পরীক্ষার প্রস্তুতি কতটা এগিয়েছে, সেদিকে অভিভাবকদের নিয়মিত নজর রাখার আহ্বান জানান তারা।

এ সময় এসএসসি-২০২৭ পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়ানো, নিয়মিত পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা এবং পরীক্ষার প্রস্তুতি আরও জোরদার করার বিষয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানের শেষে এসএসসি প্রস্তুতি ব্যাচের মাসিক মূল্যায়ন পরীক্ষায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা স্মারক ও ক্রেস্ট দেওয়া হয়। পাশাপাশি মাত্র ১৫ মিনিটে ৩৫ নম্বরের আইসিটি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর অর্জনকারী আট শিক্ষার্থীকে নগদ অর্থ দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়।

স্টাডি কেয়ার বিদ্যাপীঠের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মো. মামুনুর রশিদ মামুন বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আগ্রহ বাড়ানো, প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব তৈরি এবং সময়ের সর্বোত্তম ব্যবহারে উৎসাহিত করতেই নিয়মিত মূল্যায়ন ও পুরস্কারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিভাবকদের সঙ্গে শিক্ষকদের যোগাযোগ আরও জোরদার করে শিক্ষার্থীদের পাঠোন্নতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।’

জনপ্রিয়

সুন্দরগঞ্জে ‘পাঠোন্নতি ও সময়ানুবর্তিতা’ শীর্ষক মা সমাবেশ

প্রকাশের সময়: ০৮:০৬:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে এসএসসি-২০২৭ প্রস্তুতি ব্যাচের টেস্ট পরীক্ষা সামনে রেখে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগ, সময়ের সঠিক ব্যবহার ও পরীক্ষার প্রস্তুতি জোরদারে ‘পাঠোন্নতি ও সময়ানুবর্তিতা’ শীর্ষক মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার দুপুরে উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের ধর্মপুরে স্টাডি কেয়ার বিদ্যাপীঠের আয়োজনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে দুই শতাধিক অভিভাবকসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও ফলগাছা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো. জাহিদুল ইসলাম জাহিদ।

স্টাডি কেয়ার বিদ্যাপীঠের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. মামুনুর রশিদ মামুনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন গাইবান্ধা মাদকবিরোধী ছাত্র ঐক্যের সমন্বয়ক মো. ময়নুল হুদা এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক সুদীপ্ত শামীম। সমাবেশে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরাও বক্তব্য দেন।

বক্তারা বলেন, ভালো ফলাফলের জন্য শুধু শ্রেণিকক্ষের পাঠদান যথেষ্ট নয়। নিয়মিত পড়াশোনা, সময়ানুবর্তিতা ও অভিভাবকদের সচেতন ভূমিকা শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। সন্তান কখন পড়ছে, কীভাবে সময় কাটাচ্ছে এবং পরীক্ষার প্রস্তুতি কতটা এগিয়েছে, সেদিকে অভিভাবকদের নিয়মিত নজর রাখার আহ্বান জানান তারা।

এ সময় এসএসসি-২০২৭ পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়ানো, নিয়মিত পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা এবং পরীক্ষার প্রস্তুতি আরও জোরদার করার বিষয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানের শেষে এসএসসি প্রস্তুতি ব্যাচের মাসিক মূল্যায়ন পরীক্ষায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা স্মারক ও ক্রেস্ট দেওয়া হয়। পাশাপাশি মাত্র ১৫ মিনিটে ৩৫ নম্বরের আইসিটি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর অর্জনকারী আট শিক্ষার্থীকে নগদ অর্থ দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়।

স্টাডি কেয়ার বিদ্যাপীঠের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মো. মামুনুর রশিদ মামুন বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আগ্রহ বাড়ানো, প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব তৈরি এবং সময়ের সর্বোত্তম ব্যবহারে উৎসাহিত করতেই নিয়মিত মূল্যায়ন ও পুরস্কারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিভাবকদের সঙ্গে শিক্ষকদের যোগাযোগ আরও জোরদার করে শিক্ষার্থীদের পাঠোন্নতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।’