গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির বৈঠকে অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের ৭ জন আহত হয়েছেন।
সৃষ্ট এ ঘটনায় রোববার (২ আগস্ট) রাত পর্যন্ত উভয়ের মধ্যে উত্তেজনা দেখা গেছে। এ নিয়ে ফের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
আহতরা হলেন- উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের পাতিল্যাকুড়া গ্রামের খোরশেদ আলম (৫০), আঙ্গুর মিয়া (৪৮), সাদেকুল ইসলাম (৩৭), এমদাদুল হক (৩৮), নুরুন্নবী মিয়া (৫৫), এনশাদ আলী (৫০), রাজু মিয়া (৩৫) ও রেজিয়া বেগম (৫৫)।
স্থানীয়রা জানায়, পাতিল্লাকুড়া গ্রামের ফজলুল হকের সঙ্গে একই গ্রামের নুরুন্নবী মিয়া, এনশাদ আলীরা মৃত কপিল উদ্দিনের কাছ থেকে ৪৫ শতক জমি বিভিন্ন সময়ে ক্রয় করেন। কিন্তু ফজলুল হক তথ্যগোপন করে ওই মালিকের ৭৫ শতাংশ জমি খারিজ করে নেয়। তারা সহজ সরল এবং অক্ষর জ্ঞানহীন হওয়ায় তারা জমি বিক্রি করতে গিয়ে নানা বিপাকে পরেন। তার ক্রয়কৃত জমির দাগে ভোগদখল না করে অন্যের জমিতে চারাগাছ রোপণ করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর জন্য গাছগুলো রাতের আধারে উত্তোলন করে থানায় মিথ্যা অভিযোগও করেন। এরই প্রেক্ষিতে জমির প্রকৃত মালিক খারিজ বাতিলের জন্য আবেদন করেন। আবেদনটি মঞ্জুর হলে ২৫ শতক জমি মালিকানা সত্ত্ব ফেরত পান।
এ বিষয়ে শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে গ্রামের সুধিজন উপস্থিত হয়ে বৈঠকে নিরসনের চেষ্টা চালায়। কিন্তু প্রতিপক্ষ ফজলুল হক গংরা বৈঠকে উপস্থিত না হয়ে অতর্কিত হামলা হলে উভয় পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। এতে ৭ জন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিরোধটি শান্তিপূর্ণভাবে নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হলেও কিছু উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তির কারণে পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম হাবিবুর রহমান বলেন, হামলার বিষয়ে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 









