সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মশার কয়েলের আগুনে পুড়ল গোয়াল ঘর, মরল ২ গরু!

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মো. আঙ্গুর মিয়া নামের (৩৫) এক কৃষকের গোয়ালঘরে কয়েলের আগুন। এতে পুড়ে মারা গেছে দুটি গরু। আহত হয়েছে আরও ৩ টি গরু। সবমিলিয়ে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

রোববার  রাত ২ টার দিকে উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের তালুক বেলকা গ্রামে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মো. আঙ্গুর মিয়া ওই গ্রামের মৃত তছলিম উদ্দিনের ছেলে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিনের মতো রাতে গোয়ালঘরে মশা তাড়ানোর জন্য কয়েল জ্বালানো ছিল। একপর্যায়ে কয়েলের আগুন থেকে গোয়ালঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়। রাত ২টার দিকে আগুনের শব্দে বাড়ির লোকজনের ঘুম ভেঙে যায়। এ সময় আঙ্গুর মিয়া চিৎকার দিলে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। পরে স্থানীয়রা মিলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে একপর্যায়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

তবে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় গোয়ালঘরে থাকা গরুগুলোকে নিরাপদে বের করে আনা সম্ভব হয়নি। আগুনে দুটি গরু পুড়ে মারা যায়। আরও তিনটি গরু আগুনে আংশিক পুড়ে আহত হয়েছে। পাশাপাশি গোয়ালঘরটিও পুড়ে যায়। এতে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে পরিবারটি।

প্রতিবেশী সাজু মিয়া বলেন, ‘রাতে হঠাৎ আগুনের শব্দ ও চিৎকার শুনে আমরা ছুটে আসি। এসে দেখি গোয়ালঘরে আগুন জ্বলছে। সবাই মিলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। কিন্তু এরই মধ্যে দুটি গরু পুড়ে যায়। আরও তিনটি গরু আগুনে পুড়ে আহত হয়েছে। পরিবারটির সহায়-সম্বল বলতে যা ছিল, আগুনে তার অনেকটাই শেষ হয়ে গেছে।’

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আঙ্গুর মিয়া বলেন, ‘আগুনের বিকট শব্দে আমার ঘুম ভাঙে। ঘুম থেকে উঠে দেখি গোয়ালঘরে আগুন জ্বলছে। স্থানীয়রা এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও আমার দুটি গরু বাঁচাতে পারিনি। আরও তিনটি গরু পুড়ে আহত হয়েছে। গরুগুলো ছিল সংসারের গুরুত্বপূর্ণ সম্বল। আগুনে সব হারিয়ে এখন আমি অসহায়।’

বেলকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়েছি। বিষয়টি তাৎক্ষণিক উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।’

মশার কয়েলের আগুনে পুড়ল গোয়াল ঘর, মরল ২ গরু!

প্রকাশের সময়: ০৭:০৯:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মো. আঙ্গুর মিয়া নামের (৩৫) এক কৃষকের গোয়ালঘরে কয়েলের আগুন। এতে পুড়ে মারা গেছে দুটি গরু। আহত হয়েছে আরও ৩ টি গরু। সবমিলিয়ে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

রোববার  রাত ২ টার দিকে উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের তালুক বেলকা গ্রামে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মো. আঙ্গুর মিয়া ওই গ্রামের মৃত তছলিম উদ্দিনের ছেলে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিনের মতো রাতে গোয়ালঘরে মশা তাড়ানোর জন্য কয়েল জ্বালানো ছিল। একপর্যায়ে কয়েলের আগুন থেকে গোয়ালঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়। রাত ২টার দিকে আগুনের শব্দে বাড়ির লোকজনের ঘুম ভেঙে যায়। এ সময় আঙ্গুর মিয়া চিৎকার দিলে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। পরে স্থানীয়রা মিলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে একপর্যায়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

তবে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় গোয়ালঘরে থাকা গরুগুলোকে নিরাপদে বের করে আনা সম্ভব হয়নি। আগুনে দুটি গরু পুড়ে মারা যায়। আরও তিনটি গরু আগুনে আংশিক পুড়ে আহত হয়েছে। পাশাপাশি গোয়ালঘরটিও পুড়ে যায়। এতে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে পরিবারটি।

প্রতিবেশী সাজু মিয়া বলেন, ‘রাতে হঠাৎ আগুনের শব্দ ও চিৎকার শুনে আমরা ছুটে আসি। এসে দেখি গোয়ালঘরে আগুন জ্বলছে। সবাই মিলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। কিন্তু এরই মধ্যে দুটি গরু পুড়ে যায়। আরও তিনটি গরু আগুনে পুড়ে আহত হয়েছে। পরিবারটির সহায়-সম্বল বলতে যা ছিল, আগুনে তার অনেকটাই শেষ হয়ে গেছে।’

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আঙ্গুর মিয়া বলেন, ‘আগুনের বিকট শব্দে আমার ঘুম ভাঙে। ঘুম থেকে উঠে দেখি গোয়ালঘরে আগুন জ্বলছে। স্থানীয়রা এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও আমার দুটি গরু বাঁচাতে পারিনি। আরও তিনটি গরু পুড়ে আহত হয়েছে। গরুগুলো ছিল সংসারের গুরুত্বপূর্ণ সম্বল। আগুনে সব হারিয়ে এখন আমি অসহায়।’

বেলকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়েছি। বিষয়টি তাৎক্ষণিক উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।’