গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার একটি কৃষিমাঠে ফজলুল হক (৬৫) নামের এক ব্যক্তি নিজ রোপণ করা চারাগাছ নিজেই উপড়ে ফেলে প্রতিবেশী আঙ্গুর মিয়া (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ ওঠেছে। অমানবিক এ ঘটনায় এলাকায় এক চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের পাতিল্যাকুড়া গ্রামে দেখা গেছে- চারাগাছ উপড়ানোর ঘটনায় ফজলুল হক ও আব্দুর রউফ মিয়া গংরা প্রতিবেশী আঙ্গুর মিয়ার পরিবারের উপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেছেন।
স্থানীয়রা জানায়, একই মালিকের ক্রয় করা জমি নিয়ে পাতিল্যাকুড়া গ্রামের ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে ফজলুল হকের সঙ্গে খোকা মিয়ার ছেলে আঙ্গুর মিয়ার বিরোধ চলে আসছিলো। এরই জেরে আঙ্গুর মিয়াকে বিভিন্নভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা করে ফজলুল হক। এ ধারা অব্যাহত রেখে সম্প্রতি ফজলুল হক ও আব্দুর রউফ মিয়া গংরা নিজেদের রোপণ করা গাছের চারা উপড়ে ফেলে দূরের একটি পুকুরে ফেলে রাখেন। এরপর আঙ্গুর মিয়া ওইসব চারাগাছ উপড়ে ফেলেছে মর্মে অপপ্রচার করেন। নাটকীয় এই ঘটনায় আঙ্গুর মিয়া ও এমদাদুল মিয়ার নামে থানায় একটি মিথ্যা অভিযোগ দেন ফজলুল হক। এরপর থেকে আরও উত্তেজনা হয়ে ওঠেন ফজলুল হক গংরা। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে চরম ক্ষুব্ধতা বিরাজ করছে বলে এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে।
এ বিষয়ে ফজলুল হকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার সহোদর ভাই আব্দুর রউফ মিয়া বলেন, ঘটনা কি ঘটেছে সেটি থানায় গিয়ে জানতে পারবেন।
ভুক্তভোগী আঙ্গুর মিয়া বলেন, একই ব্যক্তির নিকট কেনা জমি নিয়ে প্রতিবেশী ফজলুল হকের সঙ্গে ঝামেলা চলছিলো। এরই একপর্যায়ে ফজলুল হক গংরা তাদের রোপণ করা চারাগাছ নিজেরাই উপড়ে ফেলে নাটকীয়ভাবে আমাকে দায়ি করেছেন। তাদের এই মিথ্যা অভিযোগের সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।
এ ব্যাপারে সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, জমি সংক্রান্ত ঝামেলা ও চারাগাছ উপড়ে ফেলা সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছি। সেটি তদন্তাধীন রয়েছে।
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 











