বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় পানিবন্দি ১২ পরিবার

বগুড়ার নন্দীগ্রাম পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মহাসড়ক সংলগ্ন গুন্দইল পশ্চিমপাড়ায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই ওই এলাকার অন্তত ১২টি পরিবার দীর্ঘদিন যাবৎ পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে।

​স্থানীয় ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গুন্দইল পশ্চিমপাড়া এলাকায় পানি নিষ্কাশনের জন্য কোনো ড্রেন নেই। ফলে বৃষ্টির পানি জমে বসতবাড়ির চারপাশে স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। নোংরা ও দুর্গন্ধযুক্ত পানির কারণে রান্নাবান্না ও যাতায়াতসহ দৈনন্দিন স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। এতে রোগব্যাধিও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ​ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই চরম দুর্ভোগের মধ্যে বসবাস করছি। সামান্য বৃষ্টি হলেই ঘরের দোরগোড়ায় পানি চলে আসে। এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য আমরা নন্দীগ্রাম পৌরসভা কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার অনুরোধ জানিয়েছি, কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো প্রতিকার পাইনি।

ভুক্তভোগী পঞ্চমী রাণী বলেন, নন্দীগ্রাম ​পৌরসভা এলাকার বাসিন্দা হওয়া সত্ত্বেও আমরা নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। দ্রুত ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা হলে এই জলাবদ্ধতা নিরসন হবে এবং আমরা দুর্ভোগ থেকে মুক্ত পাবো। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এ বিষয়ে নন্দীগ্রাম পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন মাহমুদ বলেন, এ সমস্যার কথা আগে শুনিনি। এখন শুনলাম সরেজমিনে গিয়ে দেখে গুরুত্বের সাথে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনপ্রিয়

ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় পানিবন্দি ১২ পরিবার

প্রকাশের সময়: ০৫:৪৭:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

বগুড়ার নন্দীগ্রাম পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মহাসড়ক সংলগ্ন গুন্দইল পশ্চিমপাড়ায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই ওই এলাকার অন্তত ১২টি পরিবার দীর্ঘদিন যাবৎ পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে।

​স্থানীয় ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গুন্দইল পশ্চিমপাড়া এলাকায় পানি নিষ্কাশনের জন্য কোনো ড্রেন নেই। ফলে বৃষ্টির পানি জমে বসতবাড়ির চারপাশে স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। নোংরা ও দুর্গন্ধযুক্ত পানির কারণে রান্নাবান্না ও যাতায়াতসহ দৈনন্দিন স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। এতে রোগব্যাধিও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ​ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই চরম দুর্ভোগের মধ্যে বসবাস করছি। সামান্য বৃষ্টি হলেই ঘরের দোরগোড়ায় পানি চলে আসে। এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য আমরা নন্দীগ্রাম পৌরসভা কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার অনুরোধ জানিয়েছি, কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো প্রতিকার পাইনি।

ভুক্তভোগী পঞ্চমী রাণী বলেন, নন্দীগ্রাম ​পৌরসভা এলাকার বাসিন্দা হওয়া সত্ত্বেও আমরা নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। দ্রুত ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা হলে এই জলাবদ্ধতা নিরসন হবে এবং আমরা দুর্ভোগ থেকে মুক্ত পাবো। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এ বিষয়ে নন্দীগ্রাম পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন মাহমুদ বলেন, এ সমস্যার কথা আগে শুনিনি। এখন শুনলাম সরেজমিনে গিয়ে দেখে গুরুত্বের সাথে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।