শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেখ হাসিনার জন্য ফাঁসির দড়ি অপেক্ষা করছে: নাহিদ ইসলাম

ঢাকা, ১০ জুলাই ২০২৬: রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আন্তর্জাতিক ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প বা উদ্যোগ (এমএসএমই) দিবস ২০২৬ উপলক্ষে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সম্মাননা প্রদান ও আলোচনা সভা আয়োজন করে ন্যাশনাল এসএমই ফাউন্ডেশন। অনুষ্ঠানে সফল উদ্যোক্তাদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে  জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আজকে একটা ইন্টারভিউ আমরা দেখেছি, যে ডিসেম্বরে কেউ একজন দেশে ফেরার পরিকল্পনা করেছেন। তো আমাদের দাবি থাকবে যে দেশ তো অলরেডি ১৬ বছরের ধ্বং*সয*জ্ঞের শিকার হয়েছে। এখন আমরাও চাই দেশে ফিরবে, ফাঁ/সির রায় কার্যকর হওয়ার জন্য।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে রায় হয়ে গিয়েছে। এখন এই সরকারের উচিত যথাযথ কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়ায় গ*ণহ*ত্যাকারীকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা।
অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘শেখ হাসিনা কিভাবে আসবে, সে কাদেরকে নিয়ে আসবে, সে সারেন্ডার করবে কি করবে। এটা ঠিক করতে হবে বাংলাদেশ সরকারকে। বাংলাদেশ সরকার এ বিষয়ে দিল্লির সঙ্গে কথা বলবে। এখানে আর কোনো পক্ষ নাই। ফলে সরকারই ঠিক করবে তাকে কখন আনবে, কিভাবে আনবে এবং কিভাবে বিচারের রায় কার্যকর করবে। সকল প্রস্তুতি নিয়েই তাকে আনতে হবে।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়। দিল্লি থেকে তাকে যতটুকু পারমিট করা হয়, সে অনুযায়ী সে কথা বলে। ফলে শেখ হাসিনা আসবেন কি আসবেন না, কিভাবে আসবেন, বিচার হবে কি না?এসব মূলত দিল্লির সঙ্গে ঢাকার কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বোঝাপড়ার ওপর নির্ভর করবে। শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগ তো এখন কোনো রাজনৈতিক দলই নয়।
জুলাই বিপ্লবে অংশগ্রহণকারীরা যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যারা অংশগ্রহণ করেছে, রাজনৈতিকভাবে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য তারা প্রস্তুত আছে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অর্থনীতিকে রক্ষা করার জন্য আমরা যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত আছি।
তিনি আরও বলেন, ‘তবে শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার যদি কোনো ধরনের পাঁয়তারা বা প্রচেষ্টা হয়, সরকার যদি সেটাকে প্রশ্রয় দেয়, তাহলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন সরকারই হবে। বাংলাদেশের আপামর জনগণ, জুলাই বিপ্লবে অংশগ্রহণকারী সব পক্ষ, ত্রিশ হাজার আহত ও ১ হাজার ৪০০ শহীদ পরিবারের সদস্য, আমরা সবাই প্রস্তুত আছি।
আওয়ামী লীগের বিচার প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশে এখন আওয়ামী লীগকে দলগতভাবে বিচারের আওতায় নেওয়ার কথা সরকারও ভাবছে। আমরা মনে করি, এটাই সঠিক রাস্তা। শেখ হাসিনার রায় অলরেডি হয়ে গিয়েছে। এখন এটা কার্যকর করতে হবে। শেখ হাসিনা যদি দেশে ফিরে, কেবলমাত্র ফিরবে ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্য। ফলে সেটার জন্য আমরাও চাই যে ফাঁসির রায় কার্যকর হোক।
অনুষ্ঠানে সারা দেশ থেকে আসা বিভিন্ন সেক্টরের উদ্যোক্তাগণ অংশ নেন। এতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, উদ্যোক্তাগণ বক্তব্য প্রদান করেন।
জনপ্রিয়

শেখ হাসিনার জন্য ফাঁসির দড়ি অপেক্ষা করছে: নাহিদ ইসলাম

প্রকাশের সময়: ০৭:২৭:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
ঢাকা, ১০ জুলাই ২০২৬: রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আন্তর্জাতিক ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প বা উদ্যোগ (এমএসএমই) দিবস ২০২৬ উপলক্ষে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সম্মাননা প্রদান ও আলোচনা সভা আয়োজন করে ন্যাশনাল এসএমই ফাউন্ডেশন। অনুষ্ঠানে সফল উদ্যোক্তাদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে  জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আজকে একটা ইন্টারভিউ আমরা দেখেছি, যে ডিসেম্বরে কেউ একজন দেশে ফেরার পরিকল্পনা করেছেন। তো আমাদের দাবি থাকবে যে দেশ তো অলরেডি ১৬ বছরের ধ্বং*সয*জ্ঞের শিকার হয়েছে। এখন আমরাও চাই দেশে ফিরবে, ফাঁ/সির রায় কার্যকর হওয়ার জন্য।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে রায় হয়ে গিয়েছে। এখন এই সরকারের উচিত যথাযথ কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়ায় গ*ণহ*ত্যাকারীকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা।
অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘শেখ হাসিনা কিভাবে আসবে, সে কাদেরকে নিয়ে আসবে, সে সারেন্ডার করবে কি করবে। এটা ঠিক করতে হবে বাংলাদেশ সরকারকে। বাংলাদেশ সরকার এ বিষয়ে দিল্লির সঙ্গে কথা বলবে। এখানে আর কোনো পক্ষ নাই। ফলে সরকারই ঠিক করবে তাকে কখন আনবে, কিভাবে আনবে এবং কিভাবে বিচারের রায় কার্যকর করবে। সকল প্রস্তুতি নিয়েই তাকে আনতে হবে।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়। দিল্লি থেকে তাকে যতটুকু পারমিট করা হয়, সে অনুযায়ী সে কথা বলে। ফলে শেখ হাসিনা আসবেন কি আসবেন না, কিভাবে আসবেন, বিচার হবে কি না?এসব মূলত দিল্লির সঙ্গে ঢাকার কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বোঝাপড়ার ওপর নির্ভর করবে। শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগ তো এখন কোনো রাজনৈতিক দলই নয়।
জুলাই বিপ্লবে অংশগ্রহণকারীরা যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যারা অংশগ্রহণ করেছে, রাজনৈতিকভাবে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য তারা প্রস্তুত আছে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অর্থনীতিকে রক্ষা করার জন্য আমরা যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত আছি।
তিনি আরও বলেন, ‘তবে শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার যদি কোনো ধরনের পাঁয়তারা বা প্রচেষ্টা হয়, সরকার যদি সেটাকে প্রশ্রয় দেয়, তাহলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন সরকারই হবে। বাংলাদেশের আপামর জনগণ, জুলাই বিপ্লবে অংশগ্রহণকারী সব পক্ষ, ত্রিশ হাজার আহত ও ১ হাজার ৪০০ শহীদ পরিবারের সদস্য, আমরা সবাই প্রস্তুত আছি।
আওয়ামী লীগের বিচার প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশে এখন আওয়ামী লীগকে দলগতভাবে বিচারের আওতায় নেওয়ার কথা সরকারও ভাবছে। আমরা মনে করি, এটাই সঠিক রাস্তা। শেখ হাসিনার রায় অলরেডি হয়ে গিয়েছে। এখন এটা কার্যকর করতে হবে। শেখ হাসিনা যদি দেশে ফিরে, কেবলমাত্র ফিরবে ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্য। ফলে সেটার জন্য আমরাও চাই যে ফাঁসির রায় কার্যকর হোক।
অনুষ্ঠানে সারা দেশ থেকে আসা বিভিন্ন সেক্টরের উদ্যোক্তাগণ অংশ নেন। এতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, উদ্যোক্তাগণ বক্তব্য প্রদান করেন।