শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে বসতবাড়িতে হামলা-ভাঙচুরসহ গৃহবধূকে শ্লীলতাহানীর অভিযোগ

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার এক বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করাসহ রুপিয়া বেগম (৩৬) নামের গৃহবধূকে শ্লীলতাহানীর অভিযোগ ওঠেছে।

সম্প্রতি এ ঘটনায় শনিবার (১১ জুলাই) ওই নারী বাদী হয়ে সাদুল্লাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। এতে নামীয় ১০ জন ও আরও অজ্ঞাতনামা ৭ থেকে ৮ জনকে আসামি করা হয়।

থানার এজাহার সুত্রে জানা যায়, উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের দড়ি তাজপুর গ্রামের জহুরুল ইসলামের স্ত্রী মুস্তরী বেগমের (৩৬) সঙ্গে একই গ্রামের শাহ জাহান মিয়ার ছেলে সাইদ মিয়া (২০) পরকীয় প্রেমে লিপ্ত হয়। এরই একপর্যায়ে সবার অজান্তে মুস্তরী বেগমকে পালিয়ে অন্যত্র নিয়ে গিয়ে সাইদ মিয়া বিয়ে করেন। এরপর জহুরুল ইসলাম বাধ্য হয়ে রুপিয়া বেগমকে দ্বিতীয় বিয়ে করে ঘর সংসার করে আসছেন। এরই জেরে সাইদ মিয়া ও তার পরিবারের সঙ্গে জহুরুল ইসলামের মনোমানিল্য চলে আসছিল। এ ধারাবাহিকতায় গত ২৭ জুন বিকেলের দিকে রুপিয়া বেগম তার ভাসুর আনারুল ইসলামের বাড়ি থেকে গাভীর দুধ নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় সাইদ মিয়া তাকে উত্যাক্ত করতে থাকেন। এর কিছুক্ষণ পর ঘটনাটি জানতে পেরে জহুরুল ইসলাম ছুটে এসে সাইদ মিয়াকে অত্যাক্ত না করার নিষেধ করেন। এতে উত্তেজীত হয়ে ওঠেন সাইদ মিয়া।  একপর্যায়ে সাইদ মিয়া তার দলবল নিয়ে জহুরুল ইসলামের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করাসহ নগদ সাড়ে ৪ লাখ টাকা লুট করেছে। একইসঙ্গে লক্ষাধিক টাকার আসবাপত্র ক্ষতি করছে হামলাকারীরা।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাইদ মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

ভুক্তভোগী জুহুরুল ইসলামের স্ত্রী রুপিয়া বেগম বলেন, ঘটনার সময় আমি বাধা দিতে গেলে হামলাকারীরা আমার পড়নের কাপড় টেনে শ্লীলতাহানী করেছে। এ ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাদুল্লাপুর থানার উপপুলিশ পরিদর্শক (এসআই) সুজন সরকার বলেন, হামলা-ভাচুরের ঘটনায় রুপিয়া বেগম নামের এক গৃহবধূ এজাহার দায়ের করেছেন। সেটি তদন্তাধীন রয়েছে।

জনপ্রিয়

সাদুল্লাপুরে বসতবাড়িতে হামলা-ভাঙচুরসহ গৃহবধূকে শ্লীলতাহানীর অভিযোগ

প্রকাশের সময়: ০৯:১৭:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার এক বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করাসহ রুপিয়া বেগম (৩৬) নামের গৃহবধূকে শ্লীলতাহানীর অভিযোগ ওঠেছে।

সম্প্রতি এ ঘটনায় শনিবার (১১ জুলাই) ওই নারী বাদী হয়ে সাদুল্লাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। এতে নামীয় ১০ জন ও আরও অজ্ঞাতনামা ৭ থেকে ৮ জনকে আসামি করা হয়।

থানার এজাহার সুত্রে জানা যায়, উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের দড়ি তাজপুর গ্রামের জহুরুল ইসলামের স্ত্রী মুস্তরী বেগমের (৩৬) সঙ্গে একই গ্রামের শাহ জাহান মিয়ার ছেলে সাইদ মিয়া (২০) পরকীয় প্রেমে লিপ্ত হয়। এরই একপর্যায়ে সবার অজান্তে মুস্তরী বেগমকে পালিয়ে অন্যত্র নিয়ে গিয়ে সাইদ মিয়া বিয়ে করেন। এরপর জহুরুল ইসলাম বাধ্য হয়ে রুপিয়া বেগমকে দ্বিতীয় বিয়ে করে ঘর সংসার করে আসছেন। এরই জেরে সাইদ মিয়া ও তার পরিবারের সঙ্গে জহুরুল ইসলামের মনোমানিল্য চলে আসছিল। এ ধারাবাহিকতায় গত ২৭ জুন বিকেলের দিকে রুপিয়া বেগম তার ভাসুর আনারুল ইসলামের বাড়ি থেকে গাভীর দুধ নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় সাইদ মিয়া তাকে উত্যাক্ত করতে থাকেন। এর কিছুক্ষণ পর ঘটনাটি জানতে পেরে জহুরুল ইসলাম ছুটে এসে সাইদ মিয়াকে অত্যাক্ত না করার নিষেধ করেন। এতে উত্তেজীত হয়ে ওঠেন সাইদ মিয়া।  একপর্যায়ে সাইদ মিয়া তার দলবল নিয়ে জহুরুল ইসলামের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করাসহ নগদ সাড়ে ৪ লাখ টাকা লুট করেছে। একইসঙ্গে লক্ষাধিক টাকার আসবাপত্র ক্ষতি করছে হামলাকারীরা।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাইদ মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

ভুক্তভোগী জুহুরুল ইসলামের স্ত্রী রুপিয়া বেগম বলেন, ঘটনার সময় আমি বাধা দিতে গেলে হামলাকারীরা আমার পড়নের কাপড় টেনে শ্লীলতাহানী করেছে। এ ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাদুল্লাপুর থানার উপপুলিশ পরিদর্শক (এসআই) সুজন সরকার বলেন, হামলা-ভাচুরের ঘটনায় রুপিয়া বেগম নামের এক গৃহবধূ এজাহার দায়ের করেছেন। সেটি তদন্তাধীন রয়েছে।