নন্দীগ্রাম (বগুড়া): ‘তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বগুড়ার নন্দীগ্রামে নানা আয়োজনে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হয়েছে।
এ উপলক্ষ্যে রবিবার (১২ জুলাই) উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের যৌথ আয়োজনে বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আরার সভাপতিত্বে ও পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক এনামুল হকের সঞ্চালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (অতি. দা.) ডা. শফিকুর রহমান সজীব। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) রোহান সরকার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গাজীউল হক, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইকবাল মাহমুদ লিটন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কল্পনা রানী রায়, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম সারওয়ার জাহান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সুলতানা আকতার বানু, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন আদর, পৌর বিএনপির সভাপতি মো. আলেকজান্ডার, বুড়ইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান ও ভাটরা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান-১ মাহাবুর রহমান প্রমুখ।
এ সভায় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ৭ ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ কর্মী ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা): ‘তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হয়েছে।
রোববার সকাল ১১টার দিকে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের আয়োজনে তাঁদের নিজস্ব মিলনায়তনে এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভাপতিত্ব করেন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বাদল কুমার বর্মন ফুলু।
বক্তব্য দেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. দিবাকর বসাক, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মো. শহিদুল ইসলাম সরকার মঞ্জু, পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমীর মুহা. একরামুল হক, উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক আল শাহাদাৎ জামান জিকো, সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, সুন্দরগঞ্জ আমিনা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তাপস কুমার, ফ্রেন্ডশিপের প্রতিনিধি কাজী কামরুজ্জামান, সোনারায় ইউনিয়নের পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক মমিনুল ইসলাম, শ্রীপুর ইউনিয়নের পরিবার কল্যাণ সহকারী (এফডব্লিউএ) রওশনারা বেগম, সোনারায় ইউনিয়নের ভিজিটর নাজমুন নাহার আক্তার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, জনসংখ্যাকে বোঝা নয়, দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করাই বর্তমান সময়ের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। সুস্থ, শিক্ষিত ও সচেতন প্রজন্ম গড়ে তুলতে পরিবার পরিকল্পনা, মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুস্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। তাহলেই দেশের টেকসই উন্নয়ন বাস্তবায়ন সহজ হবে।
আলোচনা সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্বাস্থ্যকর্মী, এনজিও প্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
শেষে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়। এ সময় শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ হিসেবে সর্বানন্দ ইউনিয়ন পরিষদ, শ্রেষ্ঠ পরিবার ও স্বাস্থ্য কল্যাণ কেন্দ্র হিসেবে সোনারায় পরিবার ও স্বাস্থ্য কল্যাণ কেন্দ্র, শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা নাজমুন নাহার, শ্রেষ্ঠ পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক মোজাহিদুল ইসলাম, শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী আঞ্জুমানারা বেগম এবং শ্রেষ্ঠ এনজিও হিসেবে ফ্রেন্ডশিপকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
চিরিরবন্দর (দিনাজপুর): দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, ক্রেস্ট ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল ১১ জুলাই রবিবার বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদের ইছামতি হলরুমে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসের আয়োজনে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, ক্রেস্ট ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফাতেহা তুজ জোহরা।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ফারজানা রাব্বীর সভাপতিত্বে এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মোয়াজ্জেম হোসেন সরকার, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার মো. রায়হান আলী, বিআরডিবি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন সরকার, বিএনপি নেতা সহকারি অধ্যাপক মেছবাহুল ইসলাম, চিরিরবন্দর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ উল আলম প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।
সভায় শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ হিসেবে নশরতপুর ইউপি, শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র হিসেবে নশরতপুর পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র, উপ সহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার হিসেবে মো. মাহবুবুর রহমান, শ্রেষ্ঠ পরিদর্শক হিসেবে আনিসুর রহমান, শ্রেষ্ঠ পরিদর্শিকা মনজু আরা বেগম, শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারি হিসেবে কামিনী রায়কে ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।
সভায় সকল সরকারি কর্মকর্তা, ইউপি চেয়ারম্যান, সাংবাদিক, বিএনপি নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য সহকারিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক 




















