গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মমতাজ আলী (৫০) নামের এক ব্যক্তি একটি চায়ের দোকানে চা পান করছিলেন। এরই মধ্যে প্রভাষ কিসকো (৩০) নামের এক যুবক তাকে পেছন থেকে লাঠি পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ ওঠেছে। এ ঘটনার মামলার আসামি প্রভাষ কিসকোকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে র্যাব-১৩ ক্যাম্পের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অধিনায়কের পক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেফতার আসামি প্রভাষ কিসকো গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ভুতগাড়ী গ্রামের মৃত খারিয়া কিসকো ও দুলার মুরমু দম্পতির ছেলে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়- প্রভাস কিসকোর সঙ্গে মতাহ আলীর পূর্ব শত্রুতা ছিলো। গত ৫ জুন মমতাজ আলী জুম্মার নামাজ পড়ে স্থানীয় সুজা মিয়ার দোকানে চা পান করছিলেন। এরই মধ্যে প্রভাষ কিসকো পূর্ব শত্রুতার জেরে লাঠি নিয়ে পেছন থেকে মততাজ আলীকে সজোরে মাথায় আঘাত করে গুরুতর জখম করেন। এসময় স্থানীয় লোকজন মমতাজ আলীকে চিকিৎসার জন্য ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৭ জুন মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। ঘটনায় নিহতের ছোটভাই আবু সাঈদ বাদী হয়ে ১২ জুন গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তখন থেকে আসামি প্রভাষ কিসকো আতœগোপনে থাকেন। তাকে গ্রেফতার অভিযান অব্যাহিত রাখার একপর্যায়ে
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৩, সিপিসি-৩, গাইবান্ধা ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে। এসময় রংপুর জেলার পীরগঞ্জের বড় আলমপুর ইউনিয়নের পাটগ্রাম গ্রামের নিকোলাস সরেনের বাড়ি থেকে আসামি শ্রী প্রভাষ কিসকো গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী বলেন, পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য গ্রেফতার আসামিকে গোবিন্দগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও এই ধরণের প্রতিটি, হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণসহ সকল অপরাধ প্রতিরোধে র্যাবের প্রতিটি সদস্য দৃঢ়প্রত্যয়ের সাথে কাজ করছে এবং চলমান এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 


















