রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন 

সরকারের ঘোষিত ‘৫ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে সাড়ে ৩০ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

গতকাল শনিবার দুপুর ১ টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা প্রশাসন ও সামাজিক বনায়ন ও নার্সারি কেন্দ্র, সুন্দরগঞ্জের উদ্যোগে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমান।

উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাহিয়ান মুনসীফ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মশিউর রহমান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জাফর আহমেদ লস্কর, বন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান, তারাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক বাবুল আহমেদ, জামায়াতে ইসলামীর আমীর মো. শহিদুল ইসলাম সরকার মঞ্জু, পৌর জামায়াতের আমীর একরামুল হক, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আলমগীর হোসাইন, উপজেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী মো. লুৎফর রহমান বকসি এবং সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী সরকার হাশেমুজ্জামানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ দূষণের প্রভাব দিন দিন বাড়ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যাপকহারে বৃক্ষরোপণ এবং বিদ্যমান বৃক্ষ সংরক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে সবাইকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তারা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমান বলেন, ‘গাছ শুধু পরিবেশ রক্ষা করে না, এটি মানুষের জীবন ও জীবিকার সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। একটি সবুজ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়তে সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে সফল করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

পরে অতিথিরা উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

ইউএনও ঈফফাত জাহান তুলি জানান, “উপজেলায় ফলজ, বনজ ও ঔষধি মিলিয়ে অন্তত ৩০ হাজার ৫০০টি চারা রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ২০০টি, প্রতিটি ইউনিয়নে ৫০০টি, এলজিইডির প্রতিটি উপজেলা অফিসে ৫০০টি, প্রকল্পভুক্ত এলাকায় ১ হাজারটি, উপজেলা কার্যালয়ের আওতায় ৫০০টি এবং পৌর এলাকায় ১ হাজারটি চারা রোপণ করা হবে। পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর বা বিদেশি প্রজাতির চারা রোপণ করা যাবে না বলেও তিনি জানান।

 

জনপ্রিয়

সুন্দরগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন 

প্রকাশের সময়: ০৭:৩৫:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সরকারের ঘোষিত ‘৫ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে সাড়ে ৩০ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

গতকাল শনিবার দুপুর ১ টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা প্রশাসন ও সামাজিক বনায়ন ও নার্সারি কেন্দ্র, সুন্দরগঞ্জের উদ্যোগে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমান।

উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাহিয়ান মুনসীফ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মশিউর রহমান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জাফর আহমেদ লস্কর, বন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান, তারাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক বাবুল আহমেদ, জামায়াতে ইসলামীর আমীর মো. শহিদুল ইসলাম সরকার মঞ্জু, পৌর জামায়াতের আমীর একরামুল হক, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আলমগীর হোসাইন, উপজেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী মো. লুৎফর রহমান বকসি এবং সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী সরকার হাশেমুজ্জামানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ দূষণের প্রভাব দিন দিন বাড়ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যাপকহারে বৃক্ষরোপণ এবং বিদ্যমান বৃক্ষ সংরক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে সবাইকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তারা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমান বলেন, ‘গাছ শুধু পরিবেশ রক্ষা করে না, এটি মানুষের জীবন ও জীবিকার সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। একটি সবুজ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়তে সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে সফল করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

পরে অতিথিরা উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

ইউএনও ঈফফাত জাহান তুলি জানান, “উপজেলায় ফলজ, বনজ ও ঔষধি মিলিয়ে অন্তত ৩০ হাজার ৫০০টি চারা রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ২০০টি, প্রতিটি ইউনিয়নে ৫০০টি, এলজিইডির প্রতিটি উপজেলা অফিসে ৫০০টি, প্রকল্পভুক্ত এলাকায় ১ হাজারটি, উপজেলা কার্যালয়ের আওতায় ৫০০টি এবং পৌর এলাকায় ১ হাজারটি চারা রোপণ করা হবে। পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর বা বিদেশি প্রজাতির চারা রোপণ করা যাবে না বলেও তিনি জানান।