বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খানসামায় গুদামে অভিযান, ৬৫৭ বস্তা সার জব্দ

Oplus_131072

দিনাজপুরের খানসামায় অনুমোদিত সীমার বাইরে সার মজুত ও অনিয়মের অভিযোগে দুই সার ডিলারের গুদাম ও বিক্রয়কেন্দ্রে অভিযান চালিয়েছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এবং উপজেলা কৃষি বিভাগ। পৃথক অভিযানে মোট ৬৫৭ বস্তা সার জব্দসহ সংশ্লিষ্টদের ৯০ হাজার টাকা জরিমানা এবং একটি গুদাম সিলগালা করা হয়েছে।

শুক্রবার উপজেলার পাকেরহাটে ‘মেসার্স মহাদেব ট্রেডার্সের গুদামে অভিযান চালিয়ে বিএডিসি সার ডিলার মহিতোষ চন্দ্র চন্দের কাছ থেকে ৪৫০ বস্তা সার জব্দ করা হয়। জব্দ করা সারের মধ্যে নোয়াপাড়া গ্রুপের ক্রয় করা ৩০০ বস্তা এমওপি, বিএডিসি গ্রুপের ৫০ বস্তা এমওপি ও ১০০ বস্তা ডিএপি রয়েছে। এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করে গুদামটি সিলগালা করেন। অপরদিকে, একইদিনে উপজেলার টংগুয়া বাজারে বিসিআইসি অনুমোদিত সার ডিলার ‘মেসার্স আসাদুজ্জামান ট্রেডার্স’-এ অভিযান পরিচালনা করে। সেখানে ২০৭ বস্তা সার জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ৯৪ বস্তা ডিএপি, ৫৫ বস্তা ইউরিয়া ও ৫৮ বস্তা এমওপি রয়েছে। এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে।

অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন খানসামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কামরুজ্জামান সরকার, জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদনান কবির উদয়। এসময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন আক্তারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ইউএনও কামরুজ্জামান সরকার বলেন, জব্দকৃত সার রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করে সরকার নির্ধারিত মূল্যে স্থানীয় কৃষকদের কাছে বিক্রি করা হবে। বিক্রিলব্ধ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, কৃষকদের জন্য সরকার নির্ধারিত মূল্যে ও সঠিক সময়ে সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে ডিলারদের গুদাম ও বিক্রয়কেন্দ্রে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। কোনো ডিলার বা ব্যবসায়ী অনুমোদিত সীমার বাইরে সার মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করলে কিংবা কৃষকদের হয়রানি করলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) খানসামায় অনুমোদিত সীমার বাইরে সার মজুত রাখার অভিযোগে মোজাহারুল ইসলাম নামে এক বিএডিসি সার ডিলারের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাঁর গুদাম থেকে ৯২০ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

খানসামায় গুদামে অভিযান, ৬৫৭ বস্তা সার জব্দ

প্রকাশের সময়: ০৭:০৩:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দিনাজপুরের খানসামায় অনুমোদিত সীমার বাইরে সার মজুত ও অনিয়মের অভিযোগে দুই সার ডিলারের গুদাম ও বিক্রয়কেন্দ্রে অভিযান চালিয়েছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এবং উপজেলা কৃষি বিভাগ। পৃথক অভিযানে মোট ৬৫৭ বস্তা সার জব্দসহ সংশ্লিষ্টদের ৯০ হাজার টাকা জরিমানা এবং একটি গুদাম সিলগালা করা হয়েছে।

শুক্রবার উপজেলার পাকেরহাটে ‘মেসার্স মহাদেব ট্রেডার্সের গুদামে অভিযান চালিয়ে বিএডিসি সার ডিলার মহিতোষ চন্দ্র চন্দের কাছ থেকে ৪৫০ বস্তা সার জব্দ করা হয়। জব্দ করা সারের মধ্যে নোয়াপাড়া গ্রুপের ক্রয় করা ৩০০ বস্তা এমওপি, বিএডিসি গ্রুপের ৫০ বস্তা এমওপি ও ১০০ বস্তা ডিএপি রয়েছে। এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করে গুদামটি সিলগালা করেন। অপরদিকে, একইদিনে উপজেলার টংগুয়া বাজারে বিসিআইসি অনুমোদিত সার ডিলার ‘মেসার্স আসাদুজ্জামান ট্রেডার্স’-এ অভিযান পরিচালনা করে। সেখানে ২০৭ বস্তা সার জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ৯৪ বস্তা ডিএপি, ৫৫ বস্তা ইউরিয়া ও ৫৮ বস্তা এমওপি রয়েছে। এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে।

অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন খানসামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কামরুজ্জামান সরকার, জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদনান কবির উদয়। এসময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন আক্তারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ইউএনও কামরুজ্জামান সরকার বলেন, জব্দকৃত সার রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করে সরকার নির্ধারিত মূল্যে স্থানীয় কৃষকদের কাছে বিক্রি করা হবে। বিক্রিলব্ধ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, কৃষকদের জন্য সরকার নির্ধারিত মূল্যে ও সঠিক সময়ে সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে ডিলারদের গুদাম ও বিক্রয়কেন্দ্রে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। কোনো ডিলার বা ব্যবসায়ী অনুমোদিত সীমার বাইরে সার মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করলে কিংবা কৃষকদের হয়রানি করলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) খানসামায় অনুমোদিত সীমার বাইরে সার মজুত রাখার অভিযোগে মোজাহারুল ইসলাম নামে এক বিএডিসি সার ডিলারের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাঁর গুদাম থেকে ৯২০ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে।