বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলা কৃষি অফিসের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক সুমি আকতার স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তার এক বন্ধুকে বিয়ে করেছেন। এ ঘটনায় পারিবারিকভাবে আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। তবে কর্মস্থলে অনুপস্থিতির কারণে তাকে শোকজ করা হলেও বর্তমানে তিনি নিয়মিত অফিস করছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
জানা গেছে, গত ২৭ সেপ্টেম্বর সুমি আকতার তার স্বামী রাশেদুল ইসলামের সঙ্গে সম্পর্কের অবসানের পর তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু হাসান আলীকে বিয়ে করেন। হাসান আলী বগুড়ার মোকামতলা উপজেলার কাশিপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং তিনি তিন সন্তানের বাবা। অন্যদিকে রাশেদুল ইসলাম একই উপজেলার ভরিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
সুমি আকতার জানান, তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। এ কারণে নয়, কর্মস্থলে দুই দিন অনুপস্থিত থাকায় তাকে শোকজ করা হয়েছিল। তিনি এর জবাব দিয়েছেন এবং বর্তমানে নিয়মিত অফিস করছেন। দ্বিতীয় বিয়ে তার ব্যক্তিগত বিষয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নন্দীগ্রাম উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গাজীউল হক বলেন, ‘সুমি আকতার কর্মস্থলে দুই দিন অনুপস্থিত থাকায় তাকে শোকজ করা হয়েছিল। পরে তিনি কর্মস্থলে ফিরে এসে শোকজের জবাব দিয়েছেন। পারিবারিক সমস্যার কারণে তিনি অনুপস্থিত ছিলেন। তার ব্যক্তিগত জীবনের বিষয়টি অফিসের এখতিয়ারভুক্ত নয়।’
সুমি আকতারের প্রথম স্বামী রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘সুমি চলে যাওয়ার পর আমাকে তালাক দিয়েছে। এখন আমি দুই সন্তান নিয়ে দুরাবস্থায় আছি। আমাদের দীর্ঘদিনের সংসার ভালোই চলছিল। সংসার ভেঙে যাওয়ায় আমি খুবই কষ্ট পেয়েছি।’
নাজমুল হুদা, করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, নন্দীগ্রাম (বগুড়া) 














