একসময় সেলাই মেশিন চালিয়ে সংসারের চাকা সচল রাখতেন রায়হান মিয়া। দর্জির কাজ করে স্ত্রী ও তিন সন্তানের মুখে খাবার তুলে দিতেন। কিন্তু একটি সড়ক দুর্ঘটনা বদলে দিয়েছে তার জীবন। এখন ক্রাচে ভর করে চলাফেরা করতে হয় তাঁকে। চিকিৎসার খরচ জোগাতে বিক্রি করেছেন পৈতৃক সূত্রে পাওয়া শেষ সম্বল ১৫ শতক জমিও। তবু সুস্থ হতে পারেননি। অর্থের অভাবে চিকিৎসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম। তিন সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছে পরিবারটি।
রায়হান মিয়া গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার চক গোবিন্দপুর গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে।
জানা গেছে, বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে সাদুল্লাপুর যাওয়ার পথে একটি পাওয়ার টিলারের ধাক্কায় গুরুতর আহত হন রায়হান। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসা নেওয়ার পর কিছুটা সুস্থ হলেও পায়ের আঘাতের কারণে স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলার সক্ষমতা ফিরে পাননি তিনি।
দীর্ঘ চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে গিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে পরিবারটি। শেষ সম্বল জমি বিক্রির পাশাপাশি আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের সহযোগিতায় চিকিৎসা চালিয়েছেন রায়হান। কিন্তু এখন অর্থের অভাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করাতে পারছেন না। অন্যদিকে পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়ায় স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তিনি।
রায়হান আবারও সুস্থ হয়ে দর্জির কাজে ফিরতে চান। নিজের উপার্জনে সংসার চালাতে এবং সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়তে চান। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণে প্রয়োজন উন্নত চিকিৎসা ও আর্থিক সহযোগিতা।
এ অবস্থায় সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, প্রবাসী বাংলাদেশি ও মানবিক সংগঠনগুলোর কাছে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন রায়হান। মানুষের সামান্য সহায়তাই তাঁর চিকিৎসা চালিয়ে যেতে এবং পরিবারটির মুখে হাসি ফেরাতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। সহযোগিতা পাঠানোর নম্বর: বিকাশ ও নগদ: ০১৭২৫১৮৩৮২৭।
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 


















