শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে নাসিক এন-৫৩ জাতের পেঁয়াজ চাষে সফল সিরাজুল

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার নিভৃত গ্রামাঞ্চলের সিরাজুল ইসলাম এবার কৃষি অফিস থেকে প্রণোদনায় পেয়েছে নাসিক এন-৫৩ জাতের পেঁয়াজ বীজ। পরিকল্পিতভাবে এ বীজ বপন করে ইতোমধ্যে বাম্পার ফলন হয়েছে। এতে বেজায় খুশি এই কৃষক সিরাজুল।

বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের কন্দর্প মনোহারপুর গ্রামের এই ক্ষেত পরিদর্শন করেন- উপজেলা কৃষি কর্মকতা অপূর্ব ভট্রাচার্য, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এনামুল কবির তুহিন, উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুর রব সরকার ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাফিজার রহমান।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কৃষক সিরাজুল ইসলাম তার ১৪ শতক জমিতে নাসিক এন-৫৩ জাতের পেঁয়াজ আবাদ করেছেন। এতে বীজ, সারসহ অন্যান্য উপকরণ দিয়েছে সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি অফিস থেকে। কৃষি কর্মকর্তাদের সার্বিক সহযোগীতা আর পরামর্শক্রমে এই আবাদে বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রতিটি পেঁয়াজের ওজন প্রায় ১০০ গ্রাম। এখান থেকে প্রায় ১৪ মণ পেঁয়াজ ঘরে তোলার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছি। যার বর্তমান বাজার দাম প্রায় ৩০ হাজার টাকা।

কৃষক কৃষক সিরাজুল ইসলাম বলেন, নতুন এই জাতের পেঁয়াজ আবাদ করার জন্য সার্বিক সহযোগীতা করছে কৃষি অফিস থেকে। খুব ভালো ফলন হয়েছে। এতে করে কয়েকগুণ লাভ থাকবে। আশা করি আগামীতেও এই জাতের পেঁয়াজ আবাদ করব।

সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অপূর্ব ভট্রাচার্য বলেন, পেঁয়াজ নাসিক এন-৫৩ জাতটি ভারতীয়। পেঁয়াজ সংকট দূর করার লক্ষ্যে কৃষকদেরকে অধিক ফলনশীল এই পেঁয়াজ চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। আমরা এই উপজেলায় বেশ কিছু কৃষককে প্রণোদনা সহায়তা দিয়েছি। আমদানি নির্ভরতা কমাতে অসময়ে পেঁয়াজ চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। ভোক্তারা স্বাচ্ছ্যন্দে সাধ্যের মধ্যে কিনতে পারবেন মসলা জাতীয় এ পণ্যটি।

জনপ্রিয়

সাদুল্লাপুরে নাসিক এন-৫৩ জাতের পেঁয়াজ চাষে সফল সিরাজুল

প্রকাশের সময়: ০৫:৫৬:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার নিভৃত গ্রামাঞ্চলের সিরাজুল ইসলাম এবার কৃষি অফিস থেকে প্রণোদনায় পেয়েছে নাসিক এন-৫৩ জাতের পেঁয়াজ বীজ। পরিকল্পিতভাবে এ বীজ বপন করে ইতোমধ্যে বাম্পার ফলন হয়েছে। এতে বেজায় খুশি এই কৃষক সিরাজুল।

বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের কন্দর্প মনোহারপুর গ্রামের এই ক্ষেত পরিদর্শন করেন- উপজেলা কৃষি কর্মকতা অপূর্ব ভট্রাচার্য, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এনামুল কবির তুহিন, উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুর রব সরকার ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাফিজার রহমান।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কৃষক সিরাজুল ইসলাম তার ১৪ শতক জমিতে নাসিক এন-৫৩ জাতের পেঁয়াজ আবাদ করেছেন। এতে বীজ, সারসহ অন্যান্য উপকরণ দিয়েছে সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি অফিস থেকে। কৃষি কর্মকর্তাদের সার্বিক সহযোগীতা আর পরামর্শক্রমে এই আবাদে বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রতিটি পেঁয়াজের ওজন প্রায় ১০০ গ্রাম। এখান থেকে প্রায় ১৪ মণ পেঁয়াজ ঘরে তোলার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছি। যার বর্তমান বাজার দাম প্রায় ৩০ হাজার টাকা।

কৃষক কৃষক সিরাজুল ইসলাম বলেন, নতুন এই জাতের পেঁয়াজ আবাদ করার জন্য সার্বিক সহযোগীতা করছে কৃষি অফিস থেকে। খুব ভালো ফলন হয়েছে। এতে করে কয়েকগুণ লাভ থাকবে। আশা করি আগামীতেও এই জাতের পেঁয়াজ আবাদ করব।

সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অপূর্ব ভট্রাচার্য বলেন, পেঁয়াজ নাসিক এন-৫৩ জাতটি ভারতীয়। পেঁয়াজ সংকট দূর করার লক্ষ্যে কৃষকদেরকে অধিক ফলনশীল এই পেঁয়াজ চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। আমরা এই উপজেলায় বেশ কিছু কৃষককে প্রণোদনা সহায়তা দিয়েছি। আমদানি নির্ভরতা কমাতে অসময়ে পেঁয়াজ চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। ভোক্তারা স্বাচ্ছ্যন্দে সাধ্যের মধ্যে কিনতে পারবেন মসলা জাতীয় এ পণ্যটি।