সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় কমছে কয়েন প্রচলন

গাইবান্ধার হাট-বাজারে কেনাকাটায় ২৫ পয়সা, ৫০ পয়সা, ১ ও ২ টাকার কয়েনের প্রচলন এখন নেই বললেই চলে। এমনকি ৫ টাকার কয়েনের প্রচলনও দিনদিন কমে যাচ্ছে। এছাড়া ৫ পয়সা ও ১০ পয়সার কয়েন এখন আর দেখতেই পাওয়া যায় না।

এমনকি পাঁচ টাকার কয়েনও এখন দুর্লভ। কেউ নিতে চায় না, এছাড়া ভিক্ষুকরাও ৫ টাকার নিচে কোনো কয়েন দিলেও নিতে চায় না। এর কারণ হচ্ছে শুধুমাত্র এক পিস চকলেট কিনতেই ১ ও ২ টাকার কয়েনের প্রচলন পড়ে। অন্য কোন পণ্য ক্রয় করতে ওইসব কয়েনের কোনো প্রয়োজন হয় না। একটা খিলি পান বা এক কাপ চায়ের মূল্যও এখন ৫ থেকে ৬ টাকা। ফলে সংগত কারণেই অন্যান্য কয়েনগুলো বাজার থেকে উধাও হয়ে যাচ্ছে। কারো কাছে কয়েন জমলে ব্যাংকে গিয়ে বদলে তার বদলে নোট নিয়ে আসতে বাধ্য হয়।

ক্রেতা-বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এসব কয়েন পকেটে বা ম্যানিব্যাগে রাখারও ঝামেলা। ফলে বাধ্য হয়ে কয়েন কেউ নিতেই চায় না। এজন্য উধাও হয়ে যাচ্ছে কয়েনগুলো। এখন মূলত ১০ টাকা, ২০ টাকা, ৫০ টাকা এবং ১০০ টাকার নোট প্রচলন বাজারে সব চাইতে বেশী।

গাইবান্ধায় কমছে কয়েন প্রচলন

প্রকাশের সময়: ০৪:০৮:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২০

গাইবান্ধার হাট-বাজারে কেনাকাটায় ২৫ পয়সা, ৫০ পয়সা, ১ ও ২ টাকার কয়েনের প্রচলন এখন নেই বললেই চলে। এমনকি ৫ টাকার কয়েনের প্রচলনও দিনদিন কমে যাচ্ছে। এছাড়া ৫ পয়সা ও ১০ পয়সার কয়েন এখন আর দেখতেই পাওয়া যায় না।

এমনকি পাঁচ টাকার কয়েনও এখন দুর্লভ। কেউ নিতে চায় না, এছাড়া ভিক্ষুকরাও ৫ টাকার নিচে কোনো কয়েন দিলেও নিতে চায় না। এর কারণ হচ্ছে শুধুমাত্র এক পিস চকলেট কিনতেই ১ ও ২ টাকার কয়েনের প্রচলন পড়ে। অন্য কোন পণ্য ক্রয় করতে ওইসব কয়েনের কোনো প্রয়োজন হয় না। একটা খিলি পান বা এক কাপ চায়ের মূল্যও এখন ৫ থেকে ৬ টাকা। ফলে সংগত কারণেই অন্যান্য কয়েনগুলো বাজার থেকে উধাও হয়ে যাচ্ছে। কারো কাছে কয়েন জমলে ব্যাংকে গিয়ে বদলে তার বদলে নোট নিয়ে আসতে বাধ্য হয়।

ক্রেতা-বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এসব কয়েন পকেটে বা ম্যানিব্যাগে রাখারও ঝামেলা। ফলে বাধ্য হয়ে কয়েন কেউ নিতেই চায় না। এজন্য উধাও হয়ে যাচ্ছে কয়েনগুলো। এখন মূলত ১০ টাকা, ২০ টাকা, ৫০ টাকা এবং ১০০ টাকার নোট প্রচলন বাজারে সব চাইতে বেশী।