শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নন্দীগ্রামে বেড়েছে ডায়রিয়ার প্রকোপ 

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় শীতকালীন ডায়রিয়া রোগের প্রকোপ বেড়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে শিশুর সংখ্যাই বেশি। প্রতিদিন গড়ে ৫-৬জন শিশু ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দেওয়া তথ্য মতে ১ জানুয়ারি থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৪৪জন শিশু ডায়রিয়ার আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালের ইনডোরে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে। এছাড়া বহির্বিভাগে দেয়া হয়েছে চিকিৎসা।

সরেজমিনে নন্দীগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (বিজরুল) গিয়ে দেখা যায়, ৩১ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি হাসপাতালটিতে ডায়রিয়ার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাই বেশি। শীতের শীতল আবহাওয়ায় ভাইরাসের বংশবৃদ্ধির অনুকূল পরিবেশ, দূষিত পানি ও খাবার গ্রহণের কারণে ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

১৩ মাস বয়সের শিশু বিভাকে নিয়ে চারদিন ধরে নন্দীগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আছেন বাবা বিপুল। তিনি জানান, দুইদিন বার বার পায়খানা করছিলো মেয়ে। প্রথমদিন বাসায় থেকে চিকিৎসা করিয়েছেন মেয়েকে। অসুস্থতা বেড়ে যাওয়ার কারণে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. ইকবাল মাহমুদ লিটন বলেন, শীতের সময় রোটা ভাইরাসের সংক্রমণে শিশুর ডায়রিয়া বেশি হচ্ছে। এ সময় শিশুদের ঠান্ডা লাগানো যাবে না। ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হলে খাবার স্যালাইন খাওয়াতে হবে। তিনি আরও বলেন, শীতের সময় খেজুর রস পান করলে নিপাহ ভাইরাসে সংক্রমিত হতে পারে। তাই কাঁচা খেজুর রস না খেতে তিনি জনসাধারনকে পরামর্শ দেন।

জনপ্রিয়

নন্দীগ্রামে বেড়েছে ডায়রিয়ার প্রকোপ 

প্রকাশের সময়: ০৯:০৬:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় শীতকালীন ডায়রিয়া রোগের প্রকোপ বেড়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে শিশুর সংখ্যাই বেশি। প্রতিদিন গড়ে ৫-৬জন শিশু ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দেওয়া তথ্য মতে ১ জানুয়ারি থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৪৪জন শিশু ডায়রিয়ার আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালের ইনডোরে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে। এছাড়া বহির্বিভাগে দেয়া হয়েছে চিকিৎসা।

সরেজমিনে নন্দীগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (বিজরুল) গিয়ে দেখা যায়, ৩১ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি হাসপাতালটিতে ডায়রিয়ার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাই বেশি। শীতের শীতল আবহাওয়ায় ভাইরাসের বংশবৃদ্ধির অনুকূল পরিবেশ, দূষিত পানি ও খাবার গ্রহণের কারণে ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

১৩ মাস বয়সের শিশু বিভাকে নিয়ে চারদিন ধরে নন্দীগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আছেন বাবা বিপুল। তিনি জানান, দুইদিন বার বার পায়খানা করছিলো মেয়ে। প্রথমদিন বাসায় থেকে চিকিৎসা করিয়েছেন মেয়েকে। অসুস্থতা বেড়ে যাওয়ার কারণে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. ইকবাল মাহমুদ লিটন বলেন, শীতের সময় রোটা ভাইরাসের সংক্রমণে শিশুর ডায়রিয়া বেশি হচ্ছে। এ সময় শিশুদের ঠান্ডা লাগানো যাবে না। ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হলে খাবার স্যালাইন খাওয়াতে হবে। তিনি আরও বলেন, শীতের সময় খেজুর রস পান করলে নিপাহ ভাইরাসে সংক্রমিত হতে পারে। তাই কাঁচা খেজুর রস না খেতে তিনি জনসাধারনকে পরামর্শ দেন।