গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার জাহিদুল ইসলাম (৪৭) নামের এক ব্যক্তির নারী সঙ্গে অনৈতিক কাজে বাঁধা দেওয়ার জেরে মোজাম্মেল মন্ডল (৪২) নামের এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) পর্যন্ত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন তিনি।
এর আগে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের উত্তর ভাঙ্গামোড় এলাকার চান্দের বাজার দক্ষিণ পাশে ঘাঘট নদী সংলগ্ন স্থানে মোজাম্মেল মন্ডলকে হত্যার চেষ্টা করা হয়।
আহত মোজাম্মেল মন্ডল ওই ইউনিয়নের উত্তর ভাঙ্গামোড় গ্রামের নায়েব আলী মন্ডলের ছেলে।
ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, বেশ কিছুদিন আগে পার্শ্ববর্তি রসুলপুর ইউনিয়নের কুটিপাড়া গ্রামের মৃত বাদশা মিয়ার ছেলে জাহিদুল ইসলাম এক নারীর সঙ্গে অসামাজিক কাজের চেষ্টা করেন। সেই সময়ে মোজাম্মেল মন্ডল তাকে বাঁধা দেন। এরই জেরে জাহিদুল ইসলাম শত্রুতা পোষণ করে আসছিলেন। এরই একপর্যায়ে হত শুক্রবার প্রায় সাড়ে ১২ টার দিকে মোজাম্মেল মন্ডলকে বামনপাড়ার এক জানাজা নামাজ থেকে আসার পথে তাকে পথরোধ করেন। এরপর জাহিদুল ইসলাম ও তার ভাই মুসা মিয়াসহ আরও অনেকে রড ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে মোজাম্মেল মন্ডলকে কোপাতে থাকে। এসময় তার মাথা ও পা-সহ শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্তাক্ত যখম করেছে জাহিদুল ইসলাম গংরা। এ ঘটনায় মোজাম্মেল মন্ডলের আত্নচিৎকারে রফিকুল ইসলাম ও সোহান মিয়া নামের যুবকসহ আরও অনেকে এগিয়ে এসে মোজ্জাম্মেল মন্ডলকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে স্বজনরা তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ তথ্য নিশ্চিত করে আহত মোজাম্মেল মন্ডলের স্ত্রী রেহেনা বেগম বলেন, পরিকল্পিতভাবে জাহিদুল গংরা আমার স্বামীকে হত্যার চেষ্টা করেছে। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।
সাদুল্লাপুরের দামোদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ শেখ বলেন, গত রাতে মোজাম্মেল মণ্ডল নামের এক যুবককে ছুরিকাঘাত করার ঘটনা ঘটেছে। তিনি এখন রংপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 


















