গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় প্রায় সাড়ে ১৫ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। আগাম প্রস্তুতি হিসেবে এসব খেতে কারেন্ট পোকাসহ বিভিন্ন বালাই দমনের জন্য মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন কৃষি কর্মকর্তারা। কৃষকদের ভালো ফলন পেতে এই উদ্যোগ তাদের।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের মান্দুয়ারপাড়া এলাকার কৃষকদের নিয়ে কারেন্ট পোকা দমন বিষয়ক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এসময় পার্চিং ব্যবহারসহ লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে পোকা দমনে বক্তব্য দেন- উপজেলা উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুর রব সরকারসহ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা।
এর আগেও ইদিলপুর ইউনিয়নসহ বিভিন্ন স্থানে উঠান বৈঠক ও লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সাদুল্লাপুর উপজেলার অধিকাংশ মানুষ ধান ফসলের ওপর নির্ভশীল। এ থেকে পরিবারের চাহিদা পূরণের চেষ্টা করেন তারা। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বোরো মৌসুমে অধিক পরিমাণ জমিতে ধানের আবাদ হয়েছে। শেষ পর্যন্ত ভালো ফলন ঘরে তোলার প্রত্যয়ে নিরলসভাবে মাঠে কাজ করছেন কৃষি বিভাগের কর্মকতারা। তারা মাঠপর্যায়ে গিয়ে কারেন্ট পোকা দমনসহ সার্বিক পরমর্শ প্রদান করছেন।
মান্দুয়ারপাড়ার কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, এ মৌসুমে এক একর জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছি। খেতে যেন রোগ-বালাই কিংবা পোকামাকড় আক্রমণ করতে না পারে সেব্যাপারে কৃষি কর্মকর্তাগণ পরামর্শ দিচ্ছেন। এতে করে ভালো ফলন পাওয়ার আশা করছি।
উপজেলা কৃষি বিভাগের উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুর রব সরকার বলেন, এলএলপি বাস্তবায়নে চলতি বোরো মৌসুমে নিরবিচ্ছিন্নভাবে বা নির্বিঘ্নে ফসল ঘরে তোলার জন্য কারেন্ট পোকাসহ রোগ ব্যবস্থাপনায় পার্চিং স্থাপনসহ লিফলেট বিতরণ করে পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।
সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অপূর্ব ভট্রাচার্য্য বলেন, যাতে করে কৃষকরা লাভবান হয় সে বিষয়ে দফতরের দায়িত্বশীলরা মাঠে কাজ করছেন। প্রান্তিক কৃষকের বোরো ফসল ঘরে না উঠা পর্যন্ত আমাদের এই কার্যক্রম চলমান থাকবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 



















