গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় একটি পকুর খনন করছিলেন সঞ্জয় কুমার নামের এক ব্যক্তি। এতে মাটি বহনে রাস্তা নষ্টের অভিযোগ ওঠে। এ সময় অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জসীম উদ্দিন। তখন তার গাড়ির ধাওয়া খেয়ে ট্রাক্টরটি উল্টে গিয়ে ধানখেতে পড়ে যায়। এসময় ট্রাক্টরটির ধাক্কায় একটি মুরগীর ঘর ভেঙে গিয়ে চালক জাহাঙ্গীর আলমসহ একাধিক ব্যক্তি অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন।
শনিবার (৭ মার্চ) বিকেলে উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের উত্তর দামোদরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানায়, ওই সময় অভিযানে এসিল্যাণ্ডের ধাওয়া খেয়ে ট্রাক্টরটি নিরাপদে নেওয়ার জন্য চালক জাহাঙ্গীর আলম দ্রতগতিতে গাড়ি চালাতে থাকেন। এসময় রাস্তার পাশের আব্দুল মজিদ আকন্দের একটি মুরগীর ঘর ট্রাক্টরের ধাক্কায় ভেঙে যায়। সেই সময়ে শিশুসহ বেশ কিছু ব্যক্তি প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন। এরপর ট্রাক্টরটি স্থানীয় এমদাদুল হকের বাড়ির সামনে পৌঁছালে চালক জাহাঙ্গীর আলম বাঁচার জন্য ভুট্রু মিয়ার ধানখেতে নেমে দিলে ট্রাক্টরটি উল্টে যায়। এতে এসিল্যান্ডের হাত থেকে বাঁচতে দৌঁড়ে পালিয়ে যান চালক জাহাঙ্গীর আলম।
এ বিষয়ে ট্রাক্টর চালক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সঞ্জয় কুমারের খনন করা পুকুরের মাটি ট্রাক্টর দিয়ে বহন করছিলাম। এসময় স্থানীয় আইয়ুব আলী ও লিটন মিয়া আমার কাছে চাঁদা দাবি করেন। এই চাঁদার টাকা দিতে না পারায় আইয়ুব আলী ও লিটন মিয়া সাদুল্লাপুরের এসিল্যাণ্ডকে ডেকে এনে আমাকে আটক করার চেষ্টা করেন। এসময় আমি বাঁচার জন্য ট্রাক্টরটি দ্রুত চালিয়ে ভুট্রুর ধানখেতে নেমে দিই। এতে গাড়িটি উল্টে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমি দৌঁড় দিয়ে প্রাণে রক্ষা পেয়েছি।
অভিযুক্ত আইয়ুব আলী ও লিটন মিয়া বলেন, আমরা কোন চাঁদা দাবি করিনি। তবে ট্রাক্টর দিয়ে রাস্তা নষ্টের ব্যাপারের জাহাঙ্গীরের সঙ্গে কথা হয়।
এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জসীম উদ্দিন বলেন, অভিযানের সময় ট্রাক্টরটি থামাতে বলা হলে চালক না থামিয়ে দ্রুত চলতে গিয়ে নিজেই দুর্ঘটনা শিকার হয়েছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক 


















