সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নারায়ণগঞ্জে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে নিখোঁজের তিনদিন পর আরাফাত হোসেন (৯) নামের এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৮ ডিসেম্বর) উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের লাওসার এলাকায় শিশুটির বাড়ির পাশ্ববর্তী একটি পুকুর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। আরাফত ওই এলাকার সাবেক ইউপি ওয়ার্ড সদস্য রফিকুল ইসলাম মনার ছেলে।
স্বজনরা জানান, গত মঙ্গলবার (১৫ ডিসেম্বর) রাত ৯ টার দিকে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয় আরাফাত। রাতে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে তার কোনো সন্ধান না পাওয়ায় পরদিন পরিবারের পক্ষ থেকে বন্দর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
এদিকে শুক্রবার সকালে নিজেদের বাড়ীর পাশে একটি বড় পুকুরে আরাফাতের মরদেহ ভেসে উঠলে এলাকাবাসি থানা পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে সদরের জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। তার পরনে ছিল জিন্স প্যান্ট ও চকলেট রঙের চামড়ার জ্যাকেট।
স্বজনরা আরো জানান, আরাফাতের মরদেহের সুরতহাল করার সময় তার কপালে আঘাতের চিহ্ন ও মুখ দিয়ে রক্ত বের হওয়ার আলামত পাওয়া যায়। তাদের দাবি, আরাফাতকে কেউ পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছেন।
খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন নারায়ণগঞ্জ-খ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোরশেদ আলম এবং স্থানীয় মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুস সালামসহ ধামগড় পুলিশ ফাঁড়ির কর্মকর্তা ও সদস্যরা।
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একই এলাকার তোফাজ্জলের ছেলে রাব্বি (২৩) কে আটক করে ধামগড় ফাঁড়ির পুলিশ।
বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফখরুদ্দিন ভূঁইয়া জাগো২৪.নেট-কে বলেন, এলাকাবাসির কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছে। ছেলেটি পুকুরে ডুবে মারা গেছে নাকি কেউ হত্যা করেছে তা এখন পর্যন্ত আমারা নিশ্চিত না। বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর নিশ্চিত করে বলা যাবে।

নারায়ণগঞ্জে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের সময়: ০৮:৪৫:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২০
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে নিখোঁজের তিনদিন পর আরাফাত হোসেন (৯) নামের এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৮ ডিসেম্বর) উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের লাওসার এলাকায় শিশুটির বাড়ির পাশ্ববর্তী একটি পুকুর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। আরাফত ওই এলাকার সাবেক ইউপি ওয়ার্ড সদস্য রফিকুল ইসলাম মনার ছেলে।
স্বজনরা জানান, গত মঙ্গলবার (১৫ ডিসেম্বর) রাত ৯ টার দিকে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয় আরাফাত। রাতে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে তার কোনো সন্ধান না পাওয়ায় পরদিন পরিবারের পক্ষ থেকে বন্দর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
এদিকে শুক্রবার সকালে নিজেদের বাড়ীর পাশে একটি বড় পুকুরে আরাফাতের মরদেহ ভেসে উঠলে এলাকাবাসি থানা পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে সদরের জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। তার পরনে ছিল জিন্স প্যান্ট ও চকলেট রঙের চামড়ার জ্যাকেট।
স্বজনরা আরো জানান, আরাফাতের মরদেহের সুরতহাল করার সময় তার কপালে আঘাতের চিহ্ন ও মুখ দিয়ে রক্ত বের হওয়ার আলামত পাওয়া যায়। তাদের দাবি, আরাফাতকে কেউ পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছেন।
খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন নারায়ণগঞ্জ-খ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোরশেদ আলম এবং স্থানীয় মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুস সালামসহ ধামগড় পুলিশ ফাঁড়ির কর্মকর্তা ও সদস্যরা।
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একই এলাকার তোফাজ্জলের ছেলে রাব্বি (২৩) কে আটক করে ধামগড় ফাঁড়ির পুলিশ।
বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফখরুদ্দিন ভূঁইয়া জাগো২৪.নেট-কে বলেন, এলাকাবাসির কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছে। ছেলেটি পুকুরে ডুবে মারা গেছে নাকি কেউ হত্যা করেছে তা এখন পর্যন্ত আমারা নিশ্চিত না। বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর নিশ্চিত করে বলা যাবে।