দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় ৩ সন্তানের জননী ভাগ্নিকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মামার বিরুদ্ধে। উপজেলার ভেঁড়ভেড়ী ইউনিয়নের টংগুয়া গ্রামের মাদারডাঙ্গা এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (২২ ডিসেম্বর) অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার মাদারডাঙ্গা এলাকার সোনা মিয়া (৫৫) দীর্ঘদিন ধরে তার পাশের বাড়িতে অবস্থানকারী ভাগ্নিকে কু-প্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। সোনা মিয়া সম্পর্কে মামা হওয়ায় লোকজ লজ্জায় ভাগ্নি কাউকে বিষয়টি জানাতেও পারেননি। ১৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যার পর ভাগ্নির স্বামী ও সন্তানরা তার ননদের বাড়িতে অনুষ্ঠানে যাওয়ার কারণে বাড়ি ফাঁকা পেয়ে লম্পট মামা মুঠোফোনে বেশ কয়েকবার কু-প্রস্তাব দেয়। এতে ভাগ্নি মামার দেয়া কু-প্রস্তাবে রাজি না হয়ে মুঠোফোন বন্ধ করে দেন। এসময় দুশ্চরিত্র মামা পেছন দিক দিয়ে ভাগ্নির মুখ চেপে ধরে জাপটে ধরে। লম্পট মামা ভাগ্নিকে টানা হেচড়া করে তার কাপড় ছিড়ে ফেলে এবং ঘরে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে।
এমতাবস্থায় ভাগ্নি নিজের সম্ভ্রম রক্ষা করতে গিয়ে মামা সোনা মিয়ার হাতে কামড় বসিয়ে দেয়। ভাগ্নির কামড় সহ্য করতে না পেরে মামা তাকে ছেড়ে দেয়। এসময় ভাগ্নির চিৎকার শুনে বাড়ির আশেপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে আসলে লম্পট মামা তাকে ছেড়ে দিয়ে পালিয়ে যায়।
বিষয়টি নিয়ে এলাকার মাতবররা স্থানীয়ভাবে বসে মামা তার ভুল স্বীকার করে মাফ চায় এবং বিষয়টি আপোষ করার জন্য লাখ টাকার প্রস্তার দেয়। এ প্রস্তাব প্রত্যাখান করে ভাগ্নি লম্পট মামার বিচারের দাবিতে আইনের স্মরণাপন্ন হয়।
অভিযুক্ত মামা সোনা মিয়া ঘটনাটির বিষয়ে তিনি অস্বীকার করেন।
খানসামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ কামাল হোসেন বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। যা তদন্তাধীন রয়েছে। ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) 









