শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরিচ্ছন্ন পৌরসভা গড়ে তোলার উদ্যোগ মেয়রের

দীর্ঘ দিন যাবত নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌরসভার পাড়া মহল্লায় ছিল আবর্জনার স্তূপ হয়ে পরে ছিল। সেগুলোর সিংহভাগই গৃহস্থালি ও হোটেল-রেস্তোরাঁর পচনশীল বর্জ্য। সড়কের পাড়ার মহল্লার অত্রযত্র বিভিন্ন মোড়ে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে-পেছনে, বাজারসংলগ্ন জায়গায়, এমনকি লোকজনের বাসাবাড়ির সামনে লোকালয় ভিড়েও দিনের পর দিন সেসব বর্জ্য আবর্জনা পড়ে থাকতে দেখা যেত। কোন কোন বাড়ির সামনে বর্জ্যের স্তূপ পড়ে ছিল কয়েক বছর ধরে। উৎভোট দুর্গন্ধে বাতাস ভারী হয়ে ছিল। মশা-মাছিসহ নানা রকমের পোকামাকড়ের অবাধ বংশবিস্তার হচ্ছিল এসব স্থানে স্থানে। পৌর নাগরিকদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল, দুর্গন্ধময় পচাঁ আবর্জনায় ভরা রাস্তাঘাটে চলতে গিয়ে তাদের বমি আসত, মাথা ঘোরাত। এমনকি আবর্জনার দুর্গন্ধে বাসাবাড়িতে থাকাও তাদের জন্য কষ্টকর হয়ে উঠেছিল। শহরটির বাসিন্দারা অনেকবার লিখিতভাবে ও মৌখিকভাবে তাদের এই দুর্ভোগের কথা পৌরসভার কর্তিপক্ষকে জানিয়ে ও কিন্তুু তাতেও কোনো কাজ হয়নি।

বিশেষ করে ঘোড়াশাল পৌর এলাকার ঘোড়াশাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভিতরের আবাসিক এলাকায় গৃহস্থালীয় বর্জ্যরে চলাচলে অনুপযোগী হয়ে ছিল। এসব অভিযোগ মাথায় রেখে ঘোড়াশাল পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র আল-মুজাহিদ হোসেন তুষার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে কীভাবে পৌর শহরের ময়লা-আবর্জনা নিষ্কাশন করার লক্ষ্যে কাজ করছেন। তারই ধারাবাহিকতায় ইতিমধ্যে ঘোড়াশাল পৌসভার ময়লা-আবর্জনা নিষ্কাশনে প্রায় প্রতিদিনই পৌর শহরের এক ওয়ার্ড থেকে অন্য ওয়ার্ডে ছুটছেন এই মেয়র পরিচ্ছন্ন পৌরসভা গড়ে তোলার জন্য। শহরের যেখানে ময়লা আবর্জনা দেখছেন, সেখানেই তাৎক্ষণিক দাড়িয়ে থেকে পরিচ্ছন্ন করে নিষ্কাশন করার চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি ময়লা পানি নিষ্কাশনের পরিত্যক্ত ড্রেনগুলো সচল করারও উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। পৌর শহরটির ময়লা-আবর্জনার নিরাপদ ব্যবস্থাপনার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন জানিয়ে মেয়র তুষার বলেন, মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার অনিবার্য অনুষঙ্গ হিসেবে প্রতিদিন উৎপাদিত হচ্ছে নতুন নতুন বর্জ্য। এসব বর্জ্য রাস্তাঘাটে ফেলে যেন নতুন করে ময়লার স্তূপ বড় না করে,সেজন্য পৌর শহরের ৯টি ওয়ার্ডের মেইন মেইন পয়েন্টে ঢাকনা সিস্টেম ডাস্টবিনের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শহরের ময়লা পানি নিষ্কাশনের জন্য যেই ড্রেনগুলো নির্মাণ করা হয়েছিল। যেগুলো দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ময়লা আবর্জনায় অকেজো হয়েছিল, সেগুলো সচল করার কাজ শুরু করেছি এবং পরিচ্ছন্ন পৌরসভা গড়ে তোলার জন্য কাজ করছি।

জনপ্রিয়

পরিচ্ছন্ন পৌরসভা গড়ে তোলার উদ্যোগ মেয়রের

প্রকাশের সময়: ১২:৩০:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২১

দীর্ঘ দিন যাবত নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌরসভার পাড়া মহল্লায় ছিল আবর্জনার স্তূপ হয়ে পরে ছিল। সেগুলোর সিংহভাগই গৃহস্থালি ও হোটেল-রেস্তোরাঁর পচনশীল বর্জ্য। সড়কের পাড়ার মহল্লার অত্রযত্র বিভিন্ন মোড়ে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে-পেছনে, বাজারসংলগ্ন জায়গায়, এমনকি লোকজনের বাসাবাড়ির সামনে লোকালয় ভিড়েও দিনের পর দিন সেসব বর্জ্য আবর্জনা পড়ে থাকতে দেখা যেত। কোন কোন বাড়ির সামনে বর্জ্যের স্তূপ পড়ে ছিল কয়েক বছর ধরে। উৎভোট দুর্গন্ধে বাতাস ভারী হয়ে ছিল। মশা-মাছিসহ নানা রকমের পোকামাকড়ের অবাধ বংশবিস্তার হচ্ছিল এসব স্থানে স্থানে। পৌর নাগরিকদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল, দুর্গন্ধময় পচাঁ আবর্জনায় ভরা রাস্তাঘাটে চলতে গিয়ে তাদের বমি আসত, মাথা ঘোরাত। এমনকি আবর্জনার দুর্গন্ধে বাসাবাড়িতে থাকাও তাদের জন্য কষ্টকর হয়ে উঠেছিল। শহরটির বাসিন্দারা অনেকবার লিখিতভাবে ও মৌখিকভাবে তাদের এই দুর্ভোগের কথা পৌরসভার কর্তিপক্ষকে জানিয়ে ও কিন্তুু তাতেও কোনো কাজ হয়নি।

বিশেষ করে ঘোড়াশাল পৌর এলাকার ঘোড়াশাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভিতরের আবাসিক এলাকায় গৃহস্থালীয় বর্জ্যরে চলাচলে অনুপযোগী হয়ে ছিল। এসব অভিযোগ মাথায় রেখে ঘোড়াশাল পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র আল-মুজাহিদ হোসেন তুষার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে কীভাবে পৌর শহরের ময়লা-আবর্জনা নিষ্কাশন করার লক্ষ্যে কাজ করছেন। তারই ধারাবাহিকতায় ইতিমধ্যে ঘোড়াশাল পৌসভার ময়লা-আবর্জনা নিষ্কাশনে প্রায় প্রতিদিনই পৌর শহরের এক ওয়ার্ড থেকে অন্য ওয়ার্ডে ছুটছেন এই মেয়র পরিচ্ছন্ন পৌরসভা গড়ে তোলার জন্য। শহরের যেখানে ময়লা আবর্জনা দেখছেন, সেখানেই তাৎক্ষণিক দাড়িয়ে থেকে পরিচ্ছন্ন করে নিষ্কাশন করার চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি ময়লা পানি নিষ্কাশনের পরিত্যক্ত ড্রেনগুলো সচল করারও উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। পৌর শহরটির ময়লা-আবর্জনার নিরাপদ ব্যবস্থাপনার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন জানিয়ে মেয়র তুষার বলেন, মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার অনিবার্য অনুষঙ্গ হিসেবে প্রতিদিন উৎপাদিত হচ্ছে নতুন নতুন বর্জ্য। এসব বর্জ্য রাস্তাঘাটে ফেলে যেন নতুন করে ময়লার স্তূপ বড় না করে,সেজন্য পৌর শহরের ৯টি ওয়ার্ডের মেইন মেইন পয়েন্টে ঢাকনা সিস্টেম ডাস্টবিনের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শহরের ময়লা পানি নিষ্কাশনের জন্য যেই ড্রেনগুলো নির্মাণ করা হয়েছিল। যেগুলো দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ময়লা আবর্জনায় অকেজো হয়েছিল, সেগুলো সচল করার কাজ শুরু করেছি এবং পরিচ্ছন্ন পৌরসভা গড়ে তোলার জন্য কাজ করছি।