বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে জমি নিয়ে বিরোধের ঘটনায় ১৪৪ ধারা জারি

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ছাদেক আলী (৫৬) নামের এক ব্যক্তির গাছ জোরপূর্বক কেটে জমি দখলচেষ্টার অভিযোগ ওঠেছে। স্থানীয় খায়রুল ইসলাম খুশির (৪০) বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ মামলায় ১৪৪-১৪৫ ধারা জারি করেছে আদালতের বেঞ্চ সহকারী।

সম্প্রতি উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের সদরপাড়া গ্রামে গাছ কাটার ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী ছাদেক আলী ওই গ্রামের মৃত খলিলুর রহমানের ছেলে ও অভিযুক্ত খাইরুল ইসলাম খুশি একই গ্রামের মৃত খয়বর হোসেনের ছেলে।

গাইবান্ধা বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা মামলার বাদী ছাদেক আলী তার এজাহারে উল্লেখ করেন- সদরপাড়া মৌজার ৮৩২ দাগের ৩৮ শতকের মধ্যে দক্ষিণে পাশে সাড়ে ৩৫ শতক জমি স্বত্ববান দখল থেকে প্রায় ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে আম-কাঁঠাল গাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করে ভোগদখল করে আসছেন ছাদেক আলী। এরই একপর্যায়ে গত ২ মে সকালের দিকে স্থানীয় খাইরুল ইসলাম খুশি ওই জমিটি জোরপূর্বক দখল চেষ্টায় বহিরাগত দলবল নিয়ে বেশ কিছু গাছ কেটে সাবার করেন। এসময় জরুরিসেবা ৯৯৯ নম্বর কল দিলে ঘটনা স্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি সাময়িক শান্ত করে।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে ভুক্তভোগী ছাদেক আলী বলেন, খাইরুল ইসলাম খুশি গংরা ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে আমার রোপণ করা বেশ কিছু গাছ কেটেছে। এতে প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকা ক্ষতি হয়েছে। এ নিয়ে আদালতে মামলা করা হলে বিবাদীরা আমাকে ও আমার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। এ নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত খাইরুল ইসলাম খুশি বলেন, পৈতৃক সুত্রে ওই জমির মালিক আমিই। এ কারনে গাছ কেটে ঘর নির্মাণের চেষ্টা করছি।

সাদুল্লাপুরের ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রর এএসআই ইয়াকুব আলী জানান, জরুরিসেবা ৯৯৯ কল পেয়ে ঘটনা স্থল পরিদর্শনে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়। সেইসঙ্গে বাদী ছাদেক আলীর দায়ের করা মামলার ১৪৪ ধারা জারি করেছে বিজ্ঞ আদালত। সেটি দেখা হচ্ছে।

সাদুল্লাপুরে জমি নিয়ে বিরোধের ঘটনায় ১৪৪ ধারা জারি

প্রকাশের সময়: ০২:৩৩:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ছাদেক আলী (৫৬) নামের এক ব্যক্তির গাছ জোরপূর্বক কেটে জমি দখলচেষ্টার অভিযোগ ওঠেছে। স্থানীয় খায়রুল ইসলাম খুশির (৪০) বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ মামলায় ১৪৪-১৪৫ ধারা জারি করেছে আদালতের বেঞ্চ সহকারী।

সম্প্রতি উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের সদরপাড়া গ্রামে গাছ কাটার ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী ছাদেক আলী ওই গ্রামের মৃত খলিলুর রহমানের ছেলে ও অভিযুক্ত খাইরুল ইসলাম খুশি একই গ্রামের মৃত খয়বর হোসেনের ছেলে।

গাইবান্ধা বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা মামলার বাদী ছাদেক আলী তার এজাহারে উল্লেখ করেন- সদরপাড়া মৌজার ৮৩২ দাগের ৩৮ শতকের মধ্যে দক্ষিণে পাশে সাড়ে ৩৫ শতক জমি স্বত্ববান দখল থেকে প্রায় ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে আম-কাঁঠাল গাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করে ভোগদখল করে আসছেন ছাদেক আলী। এরই একপর্যায়ে গত ২ মে সকালের দিকে স্থানীয় খাইরুল ইসলাম খুশি ওই জমিটি জোরপূর্বক দখল চেষ্টায় বহিরাগত দলবল নিয়ে বেশ কিছু গাছ কেটে সাবার করেন। এসময় জরুরিসেবা ৯৯৯ নম্বর কল দিলে ঘটনা স্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি সাময়িক শান্ত করে।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে ভুক্তভোগী ছাদেক আলী বলেন, খাইরুল ইসলাম খুশি গংরা ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে আমার রোপণ করা বেশ কিছু গাছ কেটেছে। এতে প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকা ক্ষতি হয়েছে। এ নিয়ে আদালতে মামলা করা হলে বিবাদীরা আমাকে ও আমার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। এ নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত খাইরুল ইসলাম খুশি বলেন, পৈতৃক সুত্রে ওই জমির মালিক আমিই। এ কারনে গাছ কেটে ঘর নির্মাণের চেষ্টা করছি।

সাদুল্লাপুরের ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রর এএসআই ইয়াকুব আলী জানান, জরুরিসেবা ৯৯৯ কল পেয়ে ঘটনা স্থল পরিদর্শনে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়। সেইসঙ্গে বাদী ছাদেক আলীর দায়ের করা মামলার ১৪৪ ধারা জারি করেছে বিজ্ঞ আদালত। সেটি দেখা হচ্ছে।