শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হিলিতে রাস্তার দাবিতে মানববন্ধন, সড়ক অবরোধ

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি’ হাকিমপুর মহিলা কলেজ থেকে হিলি চেকপোস্ট জিরোপয়েন্ট পর্যন্ত রাস্তা প্রশস্ত ও বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আধঘণ্টা সড়ক অবরোধ।
রবিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০ টায় হিলি চারমাথা মোড়ে হিলি নাগরিক কমিটির নেতৃত্বে মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে নাগরিক কমিটির সাথে হিলি সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশন, হিলি কাস্টমস, হিলি স্থলবন্দর, হিলি ট্রাক মালিক সমিতি, হিলি বন্দর শ্রমিক লীগ, হিলি ট্রাক শ্রমিক, হিলি মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানার নিয়ে, এছাড়াও হিলি বন্দরবাসী মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন।
এসময় বক্তব্য রাখেন, হিলি নাগরিক কমিটির আহবায়ক আলহাজ্ব শামসুল হুদা খান, সচিব সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার লিয়াকত আলী, যুগ্ন আহবায়ক জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, যুগ্ন আহবায়ক গোলাম মোস্তাফিজার রহমান মিলন।
এসময় তাঁরা বলেন, হিলি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তর স্থলবন্দর। সরকার এবন্দর থেকে শত শত কোটি টাকা রাজস্ব পেয়ে থাকে। অথচ আমাদের এই বন্দরের রাস্তার কোন উন্নয়ন নেই। সরকার সব সুবিধা এখান থেকে নিচ্ছে, কিন্তু হিলি বন্দর সড়কগুলো বেহাল দশা। সড়ক প্রশস্ত নেই, প্রতিনিয়ত যানজটের সৃষ্টি হয়, চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সড়কগুলো।
তিনারা আরও বলেন, আগামী এক মাসের মধ্যে রাস্তার কাজ শুরু না হলে আমরা আরও বৃহৎ আন্দোলনে যাবো।
জনপ্রিয়

হিলিতে রাস্তার দাবিতে মানববন্ধন, সড়ক অবরোধ

প্রকাশের সময়: ০১:৪৬:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি’ হাকিমপুর মহিলা কলেজ থেকে হিলি চেকপোস্ট জিরোপয়েন্ট পর্যন্ত রাস্তা প্রশস্ত ও বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আধঘণ্টা সড়ক অবরোধ।
রবিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০ টায় হিলি চারমাথা মোড়ে হিলি নাগরিক কমিটির নেতৃত্বে মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে নাগরিক কমিটির সাথে হিলি সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশন, হিলি কাস্টমস, হিলি স্থলবন্দর, হিলি ট্রাক মালিক সমিতি, হিলি বন্দর শ্রমিক লীগ, হিলি ট্রাক শ্রমিক, হিলি মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানার নিয়ে, এছাড়াও হিলি বন্দরবাসী মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন।
এসময় বক্তব্য রাখেন, হিলি নাগরিক কমিটির আহবায়ক আলহাজ্ব শামসুল হুদা খান, সচিব সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার লিয়াকত আলী, যুগ্ন আহবায়ক জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, যুগ্ন আহবায়ক গোলাম মোস্তাফিজার রহমান মিলন।
এসময় তাঁরা বলেন, হিলি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তর স্থলবন্দর। সরকার এবন্দর থেকে শত শত কোটি টাকা রাজস্ব পেয়ে থাকে। অথচ আমাদের এই বন্দরের রাস্তার কোন উন্নয়ন নেই। সরকার সব সুবিধা এখান থেকে নিচ্ছে, কিন্তু হিলি বন্দর সড়কগুলো বেহাল দশা। সড়ক প্রশস্ত নেই, প্রতিনিয়ত যানজটের সৃষ্টি হয়, চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সড়কগুলো।
তিনারা আরও বলেন, আগামী এক মাসের মধ্যে রাস্তার কাজ শুরু না হলে আমরা আরও বৃহৎ আন্দোলনে যাবো।