গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার বাসিন্দা হাবিবুর রহমান হাবিব (২৬)। টাঙ্গাইলের নাহিদ কটন মিলে শ্রমিক হিসেবে কাজ করে আসছিলেন। এরই মধ্যে পরিকল্পিতভাবে হত্যার শিকার হয়ে অবশেষে লাশ হয়ে ফিরল গ্রামের বাড়িতে।
হাবিবের মরদেহ সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের গোবিন্দরায় দেবত্তোর গ্রামে পৌঁছালে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। মৃত্যু হাবিবুর রহমান হাবিব ওই গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে।
পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, জীবিকা নির্বাহের তাগিদে হাবিব টাঙ্গাইল নাহিদ কটন মিলের রিং ডপার শ্রমিক হিসেবে দীর্ঘদিন যাবৎ কাজ করে আসছিলেন। তার স্ত্রীও একই মিলে নারী পোশাক শ্রমিক হিসেবে কাজ করতো। তারা টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানা এলাকায় বসবাস করে জীবন অতিবাহিত করে আসছিলেন। তাদের দাম্পত্য জীবনে ৩ বছর বয়সের এক ছেলে সন্তানও রয়েছে।
স্বজনরা জানায়, সম্প্রতি ওই মিলের এক কর্তার সঙ্গে হাবিবের সামান্য বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি ও তর্কবিতর্ক হয়। এ তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষিপ্ত হয়ে অপমানের প্রতিশোধ নিতে হাবিবকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। ধারাবাহিকতায় গত রবিবার রাত ১০টার পর হাবির তার কর্মস্থল থেকে নাহিদ কটন মিলের গেটের সামনে বের হওয়া মাত্রই আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা পরিচিত কয়েকজন তাকে এলোপাথাড়ি ছুরিকাঘাতে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। তার আত্ম চিৎকারে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হাবিবকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে, নিহত হাবিবের পরিবার ও স্ত্রীর দাবি, পরিকল্পিত এই হত্যাকাণ্ডে ওই বড় কর্তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। এ বিষয়ে নিহতের মা কাবাসি বেগম বাদী হয়ে মির্জাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করে। এ হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ ৩ জনকে আটক করেছে বলে জানা গেছে।

আমিনুল ইসলাম, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 



















