শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে যেকোন কর্মসূচী নজরুল বিশ্বিবিদ্যালয় সমর্থন করে

ময়মনসিংহ অঞ্চলের একুশে পদক-২০২২ প্রাপ্ত দুই কৃতী সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ অধ্যক্ষ মো. মতিউর রহমান (মুক্তিযুদ্ধ) ও মোস্তফা এম. এ. মতিন (মরণোত্তর) (ভাষা আন্দোলন) সন্তানের সম্মানে পদযাত্রা শুরু করেছেন ৭০ বছর বয়সী বীর মুক্তিযোদ্ধা বিমল পাল।

দীর্ঘ পদযাত্রার অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে তিনি ত্রিশালের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আসেন। নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তাকে স্বাগত জানান মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. সৌমিত্র শেখর, রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হুমায়ুন কবীরসহ অন্যান্য কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীরা।

এই পদযাত্রার মধ্যদিয়ে বিমল পাল মুক্তিযোদ্ধাদের যে সম্মান জানিয়েছেন, বিশেষ করে একুশে পদকপ্রাপ্তদের এই সম্মানের সাথে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার তারা একাত্ন হয়েছেন। এই সম্মানকে অত্যন্ত হৃদয় দিয়ে গ্রহণ করে তাকে ফুলের তোড়া উপহার দেন মাননীয় উপাচার্য।

সৌজন্য সাক্ষাতে মাননীয় উপাচার্য ড. সৌমিত্র শেখর বলেন, মুক্তিযুদ্ধ বাঙালির শ্রেষ্ঠ অর্জন। মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের শ্রেষ্ঠ সন্তান। মুক্তিযোদ্ধাদের যেকোন অর্জনই আমাদের জাতীয় বড় ঘটনা। তাদের সম্মানে যেকোন কর্মসূচি নজরুল বিশ^বিদ্যালয় সবসময় সমর্থন করে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা বিমল পাল স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে পদযাত্রা করেছিলেন, এখনো করছেন। জনগণ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে তার এই পদযাত্রা অব্যাহত আছে। তিনি সবার সহযোগিতা চেয়েছেন।

সাক্ষাৎ শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধা বিমল পাল তাঁর লেখ একটি স্মারক বই মাননীয় উপাচার্যে হাতে তুলে দেন।

জনপ্রিয়

মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে যেকোন কর্মসূচী নজরুল বিশ্বিবিদ্যালয় সমর্থন করে

প্রকাশের সময়: ০৮:০২:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২২

ময়মনসিংহ অঞ্চলের একুশে পদক-২০২২ প্রাপ্ত দুই কৃতী সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ অধ্যক্ষ মো. মতিউর রহমান (মুক্তিযুদ্ধ) ও মোস্তফা এম. এ. মতিন (মরণোত্তর) (ভাষা আন্দোলন) সন্তানের সম্মানে পদযাত্রা শুরু করেছেন ৭০ বছর বয়সী বীর মুক্তিযোদ্ধা বিমল পাল।

দীর্ঘ পদযাত্রার অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে তিনি ত্রিশালের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আসেন। নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তাকে স্বাগত জানান মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. সৌমিত্র শেখর, রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হুমায়ুন কবীরসহ অন্যান্য কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীরা।

এই পদযাত্রার মধ্যদিয়ে বিমল পাল মুক্তিযোদ্ধাদের যে সম্মান জানিয়েছেন, বিশেষ করে একুশে পদকপ্রাপ্তদের এই সম্মানের সাথে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার তারা একাত্ন হয়েছেন। এই সম্মানকে অত্যন্ত হৃদয় দিয়ে গ্রহণ করে তাকে ফুলের তোড়া উপহার দেন মাননীয় উপাচার্য।

সৌজন্য সাক্ষাতে মাননীয় উপাচার্য ড. সৌমিত্র শেখর বলেন, মুক্তিযুদ্ধ বাঙালির শ্রেষ্ঠ অর্জন। মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের শ্রেষ্ঠ সন্তান। মুক্তিযোদ্ধাদের যেকোন অর্জনই আমাদের জাতীয় বড় ঘটনা। তাদের সম্মানে যেকোন কর্মসূচি নজরুল বিশ^বিদ্যালয় সবসময় সমর্থন করে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা বিমল পাল স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে পদযাত্রা করেছিলেন, এখনো করছেন। জনগণ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে তার এই পদযাত্রা অব্যাহত আছে। তিনি সবার সহযোগিতা চেয়েছেন।

সাক্ষাৎ শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধা বিমল পাল তাঁর লেখ একটি স্মারক বই মাননীয় উপাচার্যে হাতে তুলে দেন।