শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাস্তার পাশে ময়লার স্তূপ 

নির্দিষ্ট কোনো ভাগাড় না থাকায় রাস্তার পাশেই ফেলা হচ্ছে ময়লা-আর্বজনা। এতে জনদুর্ভোগ চরমে উঠেছে। এমনই দৃশ্য দেখা গেছে দিনাজপুরের খানসামায় উপজেলার প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্র পাকেরহাট বাইপাস রাস্তা ও গরু হাটি থেকে ছাগল হাটি পর্যন্ত রাস্তায়। দীর্ঘদিন ধরে এই দুর্গন্ধের সাথেই বসবাস করছেন এখানকার লোকজন। এখানে বসবাসকারী বাসিন্দারা স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছেন। প্রায় কোটি টাকায় ইজারা হওয়া পাকেরহাটের পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা খাতে যে ব্যয় হওয়ার কথা তা করা হয় না বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।

সরজমিন দেখা যায়, পাকেরহাটের ব্রয়লার মাংস ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে বাইপাস সড়ক ও ইমারত নির্মাণ শ্রমিক অফিসের পাশের খোলা স্থানে ব্রয়লার মুরগির বিষ্ঠা ও উচ্ছিষ্ট ফেলে দিচ্ছেন। এতে ওই স্থানটি ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। তার সাথে বাজারের অন্য ব্যবসায়ীরাও ময়লা, বাড়ির আবর্জনা, পঁচা-বাসি খাবারের উচ্ছিষ্ট ফেলে দিচ্ছেন। যার ফলে তৈরি হয়েছে ময়লা-আবর্জনার বিশাল স্তূপ। ছড়াচ্ছে দূর্গন্ধ। স্থানীয় পথচারীরা নাকে রুমাল দিয়ে চলাচল করছে। কেউ কেউ আবার হাত দিয়ে নাকমুখ চেপে ধরে চলাচল করছেন। ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধ বাতাসে মিশে আশপাশের পরিবেশকে করছে দূষিত। ফলে প্রতিনিয়তই পথচারী, শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ হাজার হাজার মানুষ অবর্ণনীয় ভোগান্তিতে পড়ছে। সবচেয়ে বেকায়দায় রয়েছেন এখানকার বাসিন্দারা। তারা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করছেন ।

স্থানীয় বাসিন্দা পূজা দাস বলেন, ’এই ময়লার স্তূপ নিয়ে অনেক আবেদন ও অনুরোধের পরেও কেউ কোনো সুরাহা করেননি। ফলে দুর্গন্ধ আর ভোগান্তি নিয়েই এখানে বাস করছি।

ওই রাস্তা দিয়ে প্রতিনিয়ত চলাচলকারী আশরাফুল রিফাত নামের এক যুবক বলেন, প্রতিবছর কোটি টাকার বেশি দিয়ে এই বাজারটি ইজারা দেয়া হয়। কিন্তু এই ময়লার ভাগাড়ের জন্য এলাকার সুন্দর পরিবেশ নষ্ট হয়ে গেছে।

পাকেরহাট হাট কমিটির সভাপতি ও আঙ্গারপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা আহমেদ শাহ্ বিষয়টির জন্য দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, জনগণের ভোগান্তি দ্রুত লাঘবে  ময়লার স্তূপ সরানো হবে।

জনপ্রিয়

রাস্তার পাশে ময়লার স্তূপ 

প্রকাশের সময়: ০৭:৩৪:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২২

নির্দিষ্ট কোনো ভাগাড় না থাকায় রাস্তার পাশেই ফেলা হচ্ছে ময়লা-আর্বজনা। এতে জনদুর্ভোগ চরমে উঠেছে। এমনই দৃশ্য দেখা গেছে দিনাজপুরের খানসামায় উপজেলার প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্র পাকেরহাট বাইপাস রাস্তা ও গরু হাটি থেকে ছাগল হাটি পর্যন্ত রাস্তায়। দীর্ঘদিন ধরে এই দুর্গন্ধের সাথেই বসবাস করছেন এখানকার লোকজন। এখানে বসবাসকারী বাসিন্দারা স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছেন। প্রায় কোটি টাকায় ইজারা হওয়া পাকেরহাটের পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা খাতে যে ব্যয় হওয়ার কথা তা করা হয় না বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।

সরজমিন দেখা যায়, পাকেরহাটের ব্রয়লার মাংস ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে বাইপাস সড়ক ও ইমারত নির্মাণ শ্রমিক অফিসের পাশের খোলা স্থানে ব্রয়লার মুরগির বিষ্ঠা ও উচ্ছিষ্ট ফেলে দিচ্ছেন। এতে ওই স্থানটি ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। তার সাথে বাজারের অন্য ব্যবসায়ীরাও ময়লা, বাড়ির আবর্জনা, পঁচা-বাসি খাবারের উচ্ছিষ্ট ফেলে দিচ্ছেন। যার ফলে তৈরি হয়েছে ময়লা-আবর্জনার বিশাল স্তূপ। ছড়াচ্ছে দূর্গন্ধ। স্থানীয় পথচারীরা নাকে রুমাল দিয়ে চলাচল করছে। কেউ কেউ আবার হাত দিয়ে নাকমুখ চেপে ধরে চলাচল করছেন। ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধ বাতাসে মিশে আশপাশের পরিবেশকে করছে দূষিত। ফলে প্রতিনিয়তই পথচারী, শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ হাজার হাজার মানুষ অবর্ণনীয় ভোগান্তিতে পড়ছে। সবচেয়ে বেকায়দায় রয়েছেন এখানকার বাসিন্দারা। তারা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করছেন ।

স্থানীয় বাসিন্দা পূজা দাস বলেন, ’এই ময়লার স্তূপ নিয়ে অনেক আবেদন ও অনুরোধের পরেও কেউ কোনো সুরাহা করেননি। ফলে দুর্গন্ধ আর ভোগান্তি নিয়েই এখানে বাস করছি।

ওই রাস্তা দিয়ে প্রতিনিয়ত চলাচলকারী আশরাফুল রিফাত নামের এক যুবক বলেন, প্রতিবছর কোটি টাকার বেশি দিয়ে এই বাজারটি ইজারা দেয়া হয়। কিন্তু এই ময়লার ভাগাড়ের জন্য এলাকার সুন্দর পরিবেশ নষ্ট হয়ে গেছে।

পাকেরহাট হাট কমিটির সভাপতি ও আঙ্গারপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা আহমেদ শাহ্ বিষয়টির জন্য দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, জনগণের ভোগান্তি দ্রুত লাঘবে  ময়লার স্তূপ সরানো হবে।