শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরের অপহৃতা কলেজছাত্রী পীরগঞ্জে উদ্ধার

ছবিঃ প্রতিকী

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট থেকে ফিল্মী স্টাইলে এক কলেজছাত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে যায় আরমান মিয়া (৩০) সহ একদল বখাটে যুবক। এই অপরহরণের একদিন পর ওই ছাত্রীকে পীরগঞ্জ উপজেলা থেকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে পুলিশে সোপর্দ করে।

সোমবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার টুকুরিয়া এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। তবে অপহারণকারী আরমান মিয়াসহ অন্যান্যরা পলাতক থাকায় তাদের এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। আরমান মিয়া পীরগঞ্জ উপজেলার বাজে কাসিমপুর গ্রামের মৃত শাহাজাহান ডাক্তারের ছেলে।

স্ধানীয় সুত্রে জানা যায়, গতকাল রোববার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮ টার দিকে সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট মোংলাপাড়া গ্রামের ওই ছাত্রী তার দুই বান্ধবীসহ অটোভ্যান যোগে ধাপেরহাট বন্দরে প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পথিমধ্যে ইসলামপুর নামক স্থানের ফাঁকা রাস্তায় পৌঁছালে অপরিচিত দুই যুবক মোটরসাইকেল নিয়ে তাদের গতিরোধ করে। এসময় পেছন থেকে অপর একটি মাইক্রোবাসে বখাটে আরমান মিয়াসহ আরও ৭-৮ জন যুবক এসে সহপাঠি-বান্ধবীদের মারপিট করে ছাত্রীকে জোরপূর্বক মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে ধাপেরহাট অভিমুখে চলে যায়।

ওই কলেজছাত্রীর মা বলেন, পীরগঞ্জের আরমান মিয়া আমার মেয়েকে অপহরণ করেছে। ইতিপৃর্বেও মেয়েকে জিম্মী করে বিয়ের নাটক সাজিয়েছিল সে। অনেক কষ্টে আমার মেয়েকে সেখান থেকে মুক্ত করে এনে কলেজে ভর্তি করে দিয়েছি কিন্ত এই আরমান মিয়া আবারও এ ঘটনা ঘটিয়েছে। আমি তার বিচার চাই।

ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সেরাজুল হক জাগো২৪.নেট-কে জানান, স্থানীয়রা ভিকটিমকে উদ্ধার করে পীরগঞ্জের টুকুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের জিম্মায় রাখে। খবর পেয়ে সেখান থেকে অপহৃতা ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।  এঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারে জোর তৎপড়তা চলছে।

 

 

জনপ্রিয়

সাদুল্লাপুরের অপহৃতা কলেজছাত্রী পীরগঞ্জে উদ্ধার

প্রকাশের সময়: ০৭:৪৫:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২২

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট থেকে ফিল্মী স্টাইলে এক কলেজছাত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে যায় আরমান মিয়া (৩০) সহ একদল বখাটে যুবক। এই অপরহরণের একদিন পর ওই ছাত্রীকে পীরগঞ্জ উপজেলা থেকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে পুলিশে সোপর্দ করে।

সোমবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার টুকুরিয়া এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। তবে অপহারণকারী আরমান মিয়াসহ অন্যান্যরা পলাতক থাকায় তাদের এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। আরমান মিয়া পীরগঞ্জ উপজেলার বাজে কাসিমপুর গ্রামের মৃত শাহাজাহান ডাক্তারের ছেলে।

স্ধানীয় সুত্রে জানা যায়, গতকাল রোববার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮ টার দিকে সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট মোংলাপাড়া গ্রামের ওই ছাত্রী তার দুই বান্ধবীসহ অটোভ্যান যোগে ধাপেরহাট বন্দরে প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পথিমধ্যে ইসলামপুর নামক স্থানের ফাঁকা রাস্তায় পৌঁছালে অপরিচিত দুই যুবক মোটরসাইকেল নিয়ে তাদের গতিরোধ করে। এসময় পেছন থেকে অপর একটি মাইক্রোবাসে বখাটে আরমান মিয়াসহ আরও ৭-৮ জন যুবক এসে সহপাঠি-বান্ধবীদের মারপিট করে ছাত্রীকে জোরপূর্বক মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে ধাপেরহাট অভিমুখে চলে যায়।

ওই কলেজছাত্রীর মা বলেন, পীরগঞ্জের আরমান মিয়া আমার মেয়েকে অপহরণ করেছে। ইতিপৃর্বেও মেয়েকে জিম্মী করে বিয়ের নাটক সাজিয়েছিল সে। অনেক কষ্টে আমার মেয়েকে সেখান থেকে মুক্ত করে এনে কলেজে ভর্তি করে দিয়েছি কিন্ত এই আরমান মিয়া আবারও এ ঘটনা ঘটিয়েছে। আমি তার বিচার চাই।

ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সেরাজুল হক জাগো২৪.নেট-কে জানান, স্থানীয়রা ভিকটিমকে উদ্ধার করে পীরগঞ্জের টুকুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের জিম্মায় রাখে। খবর পেয়ে সেখান থেকে অপহৃতা ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।  এঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারে জোর তৎপড়তা চলছে।