পাবনার মাধপুর টু বেড়া প্রায় ২০ কিঃমিঃ স্থানীয় মহাসড়টির ৮০ ভাগ সড়ক খানাখন্দে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। সড়কটির বেহাল দশায় পাবনা ঢাকা,বগুড়া ও সিরাজগঞ্জগামী যাত্রীদের পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। খানাখন্দের সড়কে কস্টের যেন সীমা নেই পণ্যবাহী ট্রাক চালকদেরও। এ সড়ক দিয়ে চলতে গেলে পণ্য বোঝাই ট্রাকগুলোকে মন্থরগতিতে চলতে হয়। এতে একদিকে যেমন সময় অপচয় হয় অপরদিকে গাড়ীরও আয়ুকাল কমে যায়। অতি দ্রæত সড়কটি মেরামত করে চলাচলের উপযোগী করে তোলার দাবি স্থানীয়দের।
সরজমিন ওই সড়ক ঘুরে দেখা গেছে, মাধপুর-বেড়া স্থানীয় মহা-সড়কের নন্দনপুর থেকে সাঁথিয়া হয়ে বেড়া পর্যন্ত খানাখন্দে একাকার হয়ে আছে। প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে পাবনা,ঢাকা,বগুড়া সিরাজগঞ্জসহ উত্তরবঙ্গের ৮টি জেলায় যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক, শত শত সিএনজিসহ বিভিন্ন যানবাহন ও মালবাহী গাড়ী চলাচল করে। পাবনা থেকে ঢাকাসহ উত্তরবঙ্গে যেতে ১৮ কিঃমিঃ সড়কের ূদূরত্ব কম হওয়ায় যানবাহনগুলো মাধপুর থেকে কাশিনাথপুর হয়ে না গিয়ে মাধপুর –সাঁথিয়া হয়ে সিএন্ডবি সড়ক দিয়ে চলাচল করে। এতে তেল ও সময় দুটোই সাশ্রয় হয়। অপরদিকে বেড়া সিএন্ডবি চতুর বাজার বড় গরুর হাট, মাছ ও সবজিসহ বিভিন্ন কাঁচামালের আড়ৎ হওয়ায় প্রতিদিনই পাইকাররা এই সড়ক দিয়ে নসিমন, করিমন ও অটোভ্যান নিয়ে যাতায়াত করে। দিনকে দিন এ সড়কটির বেহাল দশায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের। সড়কে খানাখন্দ থাকায় প্রতিদিনই কোন না কোন দুর্ঘটনা ঘটছে। যানবাহন বিকল হয়ে পড়ে থাকতেও দেখা গেছে।সাঁথিয়া বাজারের মাছ ব্যবসায়ী গোবিন্দ হলদার জানান, আমরা সিএন্ডবি মাছের আড়ত থেকে মাছ আনতে এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত কর্ িখানাখন্দের কারণে নাচতে নাচতে ফিরে আসতে হয়। ফলে তাজা মাছ কিনে আনলেও সাঁথিয়া আসতে আসতে তা নরম হয়ে যায়। ফলে আমাদেরকে মাছ লোকসানে বিক্রি করতে হয়।
কথা হয় বেড়া পোর্ট থেকে খুলনাগামী পণ্যবাহী ট্রাকচালক মঞ্জিলের সাথে। তিনি বলেন, পাবনা হয়ে খুলনা যাওয়ার সহজ এবং অল্প রাস্তা হওয়ায় সময় ও তেল সাশ্রয়ের জন্য এই সড়কটি দিয়ে আমরা যাতায়াত করি। কিন্তু রাস্তার যে অবস্থা তাতে খুবই সমস্যায় পড়তে হয়। কোন কোন সময় পণ্যবোঝাই করে যেতে ভয়ে ভয়ে যেতে হয়। কখন যেন দুর্ঘটনা ঘটে।উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল্লা আল মাহমুদ দেলোয়ার সড়কে চলাচলে দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে বলেন, আমার জানা মতে এটা টেন্ডার হয়েছে। রাস্তাটি আরও বড় হবে। খুব তাড়াতারী কাজ হবে আশা করি।পাবনা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল মনসুর আহমেদ বলেন, খুব শীঘ্রই মাধপুর বেড়া সড়কের কাজ ধরা হবে। প্রক্রিয়া চলছে।

মনসুর আলম খোকন, করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, সাঁথিয়া (পাবনা) 



















