শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে নিজ ঘরে আগুন দিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় জমি দখলের চেষ্টায় নিজ ঘরে অগ্নিসংযোগ করেছে লাল মিয়া খন্দকার নামের এক ব্যক্তি। এমন নাটক সেজে বীরমুক্তিযোদ্ধা পরিবারের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দারে করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার পর্যন্ত উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

জানা যায়, উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়নের কিশামত বাগচী গ্রামের মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ মমিন খন্দকারের ছেলে আবুল কালাম আজাদ কিশামত মৌজার ১৩ নং জেএল, ৮০৪ খতিয়ান ও ১২১৬ দাগে ১১ শতক জমি পৈত্রিক সুত্রে প্রাপ্ত হয়। সেটি দীর্ঘদিন ধরে দখলভোগ করে আসছেন তিনি। এদিকে একই গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদ খন্দকারের ছেলে লাল মিয়া খন্দকার ওই তফসিলের ১১ শতক জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে আসছে। একপর্যায়ে ২৪ ফেব্রুয়ারি আবুল কালাম আজাদ তার জমিতে থাকা কয়েকটি গাছ কেটে নেয়। এতে বাধা দেয় লাল মিয়া খন্দকার ও তার লোকজন। এসময় আবুল কালাম আজাদের পরিবারকে অশ্লিল ভাষায় গালাগালি করাসহ মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেওয়া তারা। এ ব্যাপারে আবুল কালাম আজাদ বাদি হয়ে সাদুল্লাপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করে।

অপরদিকে, আবুল কালাম আজাদ গংদের ফাঁসানোর জন্য গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে লাল মিয়া খন্দকার তার নিজ গোয়াল ঘর ও খড়ের গাদায় আগুন লেগে দেয়। পরিকল্পিত এ ঘটনায় আবুল কালাম আজাদ ও তার পরিবারের লোকজনকে দায়ি করে লাল মিয়া খন্দকার বাদি হয়ে তাদের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

এ বিষয়ে লাল মিয়া খন্দকার জানান, বিরোধপূর্ণ ১১ শতক জমি ক্রয় ও পৈত্রিক সুত্রে মালিক তিনি। এ জমিতে তাদের রোপন করা গাছ আবুল কালাম আজাদ জোরপূর্বক কেটে নিয়েছে। এমনকি তার গোয়াল ঘর ও খড়ের গাদায় অগ্নিসংযোগ করেছে তারা।

আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমার বাবা মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ মমিন খন্দকার। তফসিল বর্ণিত ১১ শতক জমি পৈত্রিক সুত্রে প্রাপ্ত হয়ে ভোগদখল করে আসছি। এরই মধ্যে লাল মিয়া খন্দকার এ জমি জবর দখলের জন্য আমার ও পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে।

সাদুল্লাপুর থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) রাকিবুল ইসলাম জানান, গাছ কাটা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় লাল মিয়া খন্দকার বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে। যা তদন্তাধীন রয়েছে।

জনপ্রিয়

সাদুল্লাপুরে নিজ ঘরে আগুন দিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশের সময়: ০৫:০৪:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ মার্চ ২০২২

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় জমি দখলের চেষ্টায় নিজ ঘরে অগ্নিসংযোগ করেছে লাল মিয়া খন্দকার নামের এক ব্যক্তি। এমন নাটক সেজে বীরমুক্তিযোদ্ধা পরিবারের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দারে করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার পর্যন্ত উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

জানা যায়, উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়নের কিশামত বাগচী গ্রামের মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ মমিন খন্দকারের ছেলে আবুল কালাম আজাদ কিশামত মৌজার ১৩ নং জেএল, ৮০৪ খতিয়ান ও ১২১৬ দাগে ১১ শতক জমি পৈত্রিক সুত্রে প্রাপ্ত হয়। সেটি দীর্ঘদিন ধরে দখলভোগ করে আসছেন তিনি। এদিকে একই গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদ খন্দকারের ছেলে লাল মিয়া খন্দকার ওই তফসিলের ১১ শতক জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে আসছে। একপর্যায়ে ২৪ ফেব্রুয়ারি আবুল কালাম আজাদ তার জমিতে থাকা কয়েকটি গাছ কেটে নেয়। এতে বাধা দেয় লাল মিয়া খন্দকার ও তার লোকজন। এসময় আবুল কালাম আজাদের পরিবারকে অশ্লিল ভাষায় গালাগালি করাসহ মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেওয়া তারা। এ ব্যাপারে আবুল কালাম আজাদ বাদি হয়ে সাদুল্লাপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করে।

অপরদিকে, আবুল কালাম আজাদ গংদের ফাঁসানোর জন্য গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে লাল মিয়া খন্দকার তার নিজ গোয়াল ঘর ও খড়ের গাদায় আগুন লেগে দেয়। পরিকল্পিত এ ঘটনায় আবুল কালাম আজাদ ও তার পরিবারের লোকজনকে দায়ি করে লাল মিয়া খন্দকার বাদি হয়ে তাদের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

এ বিষয়ে লাল মিয়া খন্দকার জানান, বিরোধপূর্ণ ১১ শতক জমি ক্রয় ও পৈত্রিক সুত্রে মালিক তিনি। এ জমিতে তাদের রোপন করা গাছ আবুল কালাম আজাদ জোরপূর্বক কেটে নিয়েছে। এমনকি তার গোয়াল ঘর ও খড়ের গাদায় অগ্নিসংযোগ করেছে তারা।

আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমার বাবা মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ মমিন খন্দকার। তফসিল বর্ণিত ১১ শতক জমি পৈত্রিক সুত্রে প্রাপ্ত হয়ে ভোগদখল করে আসছি। এরই মধ্যে লাল মিয়া খন্দকার এ জমি জবর দখলের জন্য আমার ও পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে।

সাদুল্লাপুর থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) রাকিবুল ইসলাম জানান, গাছ কাটা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় লাল মিয়া খন্দকার বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে। যা তদন্তাধীন রয়েছে।