শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফুলছড়িতে টিসিবি’র পণ্য তালিকাকে কেন্দ্র করে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

গাইবান্ধার ফুলছড়িতে টিসিবির পণ্য ক্রয়ের সুবিধাভোগীদের তালিকায় স্বাক্ষর করাকে কেন্দ্র করে ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা চেয়ারম্যানের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

রোববার (৬ মার্চ) বিকেলে দু’পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করলেও শেষ পর্যন্ত কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

জানা গেছে, ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে সম্প্রতি ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)‘র পণ্য ক্রয়ের সুবিধাভোগীদের তালিকা তৈরির জন্য ইউপি চেয়ারম্যানদের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এই তালিকায় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জিএম সেলিম পারভেজ কিছু ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্তির নিমিত্তে উদাখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আল আমিন আহমেদের কাছে স্বাক্ষরের জন্য কিছু আবেদন ফরম প্রেরণ করেন। তালিকা প্রণয়নের সময় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়ে যাওয়ার কথা বলে উপজেলা চেয়ারম্যানের প্রেরিত আবেদন ফরমগুলোতে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানান উদাখালী ইউপি চেয়ারম্যান আল আমিন আহমেদ।

আজ রোববার ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জিএম সেলিম পারভেজ কিছু লোক নিয়ে ফরমগুলো স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য উদাখালী ইউনিয়ন পরিষদে যান। ওই আবেদন ফরমে স্বাক্ষর না দিয়ে এ বিষয়ে ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে পরামর্শের জন্য ইউপি চেয়ারম্যান আল আমিন আহমেদ উপজেলা পরিষদ চত্বরে আসেন। এসময় ইউপি চেয়ারম্যান আল আমিন আহমেদ ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জিএম সেলিম পারভেজের সমর্থকদের মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফুলছড়ি থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তা (ওসি) কাওছার আলী সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আলাউদ্দিনের মধ্যস্থতায় উভয়পক্ষের মধ্যে সৃষ্ট ঘটনার মিমাংসা করা হয়।

ফুলছড়ি থানার ওসি কাওছার আলী বলেন, উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করলেও পুলিশ পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনায় এ ঘটনায় কেউ আহত হয়নি।

ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইউপি চেয়ারম্যানের মধ্যে মনোমালিন্য হওয়ায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল। এরপর দুইজনেই তাদের নিজেদের ভুল বুঝাবুঝির অবসান করেন।

জনপ্রিয়

ফুলছড়িতে টিসিবি’র পণ্য তালিকাকে কেন্দ্র করে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

প্রকাশের সময়: ১০:১২:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ মার্চ ২০২২

গাইবান্ধার ফুলছড়িতে টিসিবির পণ্য ক্রয়ের সুবিধাভোগীদের তালিকায় স্বাক্ষর করাকে কেন্দ্র করে ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা চেয়ারম্যানের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

রোববার (৬ মার্চ) বিকেলে দু’পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করলেও শেষ পর্যন্ত কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

জানা গেছে, ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে সম্প্রতি ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)‘র পণ্য ক্রয়ের সুবিধাভোগীদের তালিকা তৈরির জন্য ইউপি চেয়ারম্যানদের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এই তালিকায় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জিএম সেলিম পারভেজ কিছু ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্তির নিমিত্তে উদাখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আল আমিন আহমেদের কাছে স্বাক্ষরের জন্য কিছু আবেদন ফরম প্রেরণ করেন। তালিকা প্রণয়নের সময় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়ে যাওয়ার কথা বলে উপজেলা চেয়ারম্যানের প্রেরিত আবেদন ফরমগুলোতে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানান উদাখালী ইউপি চেয়ারম্যান আল আমিন আহমেদ।

আজ রোববার ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জিএম সেলিম পারভেজ কিছু লোক নিয়ে ফরমগুলো স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য উদাখালী ইউনিয়ন পরিষদে যান। ওই আবেদন ফরমে স্বাক্ষর না দিয়ে এ বিষয়ে ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে পরামর্শের জন্য ইউপি চেয়ারম্যান আল আমিন আহমেদ উপজেলা পরিষদ চত্বরে আসেন। এসময় ইউপি চেয়ারম্যান আল আমিন আহমেদ ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জিএম সেলিম পারভেজের সমর্থকদের মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফুলছড়ি থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তা (ওসি) কাওছার আলী সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আলাউদ্দিনের মধ্যস্থতায় উভয়পক্ষের মধ্যে সৃষ্ট ঘটনার মিমাংসা করা হয়।

ফুলছড়ি থানার ওসি কাওছার আলী বলেন, উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করলেও পুলিশ পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনায় এ ঘটনায় কেউ আহত হয়নি।

ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইউপি চেয়ারম্যানের মধ্যে মনোমালিন্য হওয়ায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল। এরপর দুইজনেই তাদের নিজেদের ভুল বুঝাবুঝির অবসান করেন।