শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় এক ব্যক্তির আমৃত্যু কারাদণ্ড 

গাইবান্ধায় নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় মাজেদুল ইসলাম কালটু নামে এক ব্যক্তির আমৃত্যু কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে গাইবান্ধা নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনাল একের বিচারিক আদালত। একই সঙ্গে মামলার অপর তিন আসামীকে বেখসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ মার্চ) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনাল একের বিচারক কে এম শহিদ আহম্মেদ এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া বাউসী গ্রামের সেলিম মিয়ার শিশু কন্যা সিনথিয়া আক্তারকে একই গ্রামের সায়দার রহমানের  পুত্র মাজেদুল ইসলাম কালটু ২০১৭ সালের ৩১ আগষ্ট অপহরণ এবং ধর্ষণ করে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে বাড়ির পাশের একটি  পুকুরের কচুরিপানার ভিতর লুকিয়ে রাখে। পরে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে পুকুরের কচুরিপানা থেকে সিনথিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ওই মেয়ের বাবা সেলিম মিয়া বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানির পর মঙ্গলবার দুপুরে বিজ্ঞ আদালত এ রায় প্রদান করেন। এ রায়ে নিহতের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন আদালত-১ গাইবান্ধার পাবলিক প্রসিকিউটর শাহীন গুলসান নাহার মুনমুন জানান, দীর্ঘশুনানির প্রায় ৫ বছর পর সকল স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য শেষে আদালতে অপহরণকারী ও ধর্ষক মাজেদুল ইসলাম কালটুর উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত হয়েছে।

 

জনপ্রিয়

গাইবান্ধায় নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় এক ব্যক্তির আমৃত্যু কারাদণ্ড 

প্রকাশের সময়: ০৪:১৬:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ মার্চ ২০২২

গাইবান্ধায় নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় মাজেদুল ইসলাম কালটু নামে এক ব্যক্তির আমৃত্যু কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে গাইবান্ধা নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনাল একের বিচারিক আদালত। একই সঙ্গে মামলার অপর তিন আসামীকে বেখসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ মার্চ) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনাল একের বিচারক কে এম শহিদ আহম্মেদ এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া বাউসী গ্রামের সেলিম মিয়ার শিশু কন্যা সিনথিয়া আক্তারকে একই গ্রামের সায়দার রহমানের  পুত্র মাজেদুল ইসলাম কালটু ২০১৭ সালের ৩১ আগষ্ট অপহরণ এবং ধর্ষণ করে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে বাড়ির পাশের একটি  পুকুরের কচুরিপানার ভিতর লুকিয়ে রাখে। পরে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে পুকুরের কচুরিপানা থেকে সিনথিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ওই মেয়ের বাবা সেলিম মিয়া বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানির পর মঙ্গলবার দুপুরে বিজ্ঞ আদালত এ রায় প্রদান করেন। এ রায়ে নিহতের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন আদালত-১ গাইবান্ধার পাবলিক প্রসিকিউটর শাহীন গুলসান নাহার মুনমুন জানান, দীর্ঘশুনানির প্রায় ৫ বছর পর সকল স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য শেষে আদালতে অপহরণকারী ও ধর্ষক মাজেদুল ইসলাম কালটুর উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত হয়েছে।