সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অর্থাভাবে চিকিৎসা বন্ধ পুলিশের ছেলে বকুলের

নিভৃত পল্লীর বাসিন্দা বকুল আহমেদ বকু। বয়স ৪৮ বছর। তার বাবা মহির উদ্দিন ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য। অবসরগ্রহণের পর বার্ধক্য জনিত কারণে মারা গেছেন। এরই মধ্যে জটিল রোগে আক্রান্ত হয়েছেন বকুল। আর টাকার অভাবে বন্ধ রয়েছে তার চিকিৎসাসেবা। ফলে পঙ্গুত্ব জীবনে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে মানবেতর দিনাতিপাত করছেন ওই পুলিশের ছেলে বকুল।

রোগাক্রান্ত এই বকুলের বাড়ি গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায়। এখানকার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের টিয়াগাছা গ্রামে তার বসবাস।

বৃজস্পতিবার ( ৮ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে দেখা গেছে, বকুল আহমেদ বকু একটি হুইলচেয়ারে বাড়ির উঠানে বসে আছেন। টলমল অশ্রুজল আর হতাশার দৃষ্টিতে তাকিয়েছিলেন। এসময় কথা বলতে চাইলে হাউমাউ করে কেঁদে ওঠেন তিনি। বললেন নানা দুঃখ-কষ্টের কথা।

জানা যায়, বকুলের বাবা মহির উদ্দিন পুলিশের চাকুরি শেষে ১৯৯৯ সালে দিনাজপুরের চিরিরবন্দর থানা থেকে অবসরগ্রহণ করেন। সেই সময়ে বিক্রি করেছেন পেনশন। এরপর ২০১৪ সালে মারা গেছেন মহির উদ্দিন। সততার সঙ্গে চাকুরি করতে গিয়ে সংসারে টানাপোড়েন লেগেই ছিল। এমতাবস্থায় বকুল আহমেদ বকু জীবিকার তাগিতে ঢাকার একটি রিকশা গ্যারেজে মিস্ত্রি হিসেব কাজ করছিলেন। দাম্পত্য জীবনে স্ত্রী ও তিন ছেলে নিয়ে তার সংসার। এরই মধ্যে ২০২২ সালের জুলাইয়ে ‘মটর নিউরণ ডিজিজ’ নামের একটি দূরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হন। এ থেকে সুস্থ্য হওয়ার চেষ্টায় চিকিৎসেবায় প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকা ব্যয় করেছেন। এখন স্ত্রী সন্তান নিয়ে কোনমতো জীবিকা নির্বাহ তার।

ইতোমধ্যে নিজের জমি, গরু-ছাগল বিক্রি করাসহ বিভিন্নভাবে ঋণ নিয়ে চিকিৎসা চালানো হয়। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে একদম নিঃশ্ব হয়ে পথে বসেছেন বকুল। যতই দিন যাচ্ছে ততই অসুস্থতা বেশী দেখা যাচ্ছে তার। এমতাবস্থায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছে তাকে উন্নত চিকিৎসা দরকার। এতে ব্যয়বহুল খরচ করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছি পরিবারটির। এখন নিজেকে বাঁচাতে মানুষের কাছে সাহায্যের আকুতি করছেন বকুল।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে অসুস্থ বকুল আহমেদ বকু কান্নাজড়িতে কন্ঠে জানান, অভাব-অনটনের সংসার তার। তাদের নুন আনতে যেন পান্তা ফুরায়। এখন টাকার অভাবে চিকিৎসাসেবা বন্ধ হয়েছে। সবাই যদি মানবিক সহায়তা করতেন, তাহলে হয়তো সুস্থতা হওয়া সম্ভব তার। সহযোগিতায় বিকাশ নাম্বার (বকুল) ০১৭১৫৬৪৩৩৬৫।

অর্থাভাবে চিকিৎসা বন্ধ পুলিশের ছেলে বকুলের

প্রকাশের সময়: ০৯:৪৩:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নিভৃত পল্লীর বাসিন্দা বকুল আহমেদ বকু। বয়স ৪৮ বছর। তার বাবা মহির উদ্দিন ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য। অবসরগ্রহণের পর বার্ধক্য জনিত কারণে মারা গেছেন। এরই মধ্যে জটিল রোগে আক্রান্ত হয়েছেন বকুল। আর টাকার অভাবে বন্ধ রয়েছে তার চিকিৎসাসেবা। ফলে পঙ্গুত্ব জীবনে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে মানবেতর দিনাতিপাত করছেন ওই পুলিশের ছেলে বকুল।

রোগাক্রান্ত এই বকুলের বাড়ি গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায়। এখানকার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের টিয়াগাছা গ্রামে তার বসবাস।

বৃজস্পতিবার ( ৮ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে দেখা গেছে, বকুল আহমেদ বকু একটি হুইলচেয়ারে বাড়ির উঠানে বসে আছেন। টলমল অশ্রুজল আর হতাশার দৃষ্টিতে তাকিয়েছিলেন। এসময় কথা বলতে চাইলে হাউমাউ করে কেঁদে ওঠেন তিনি। বললেন নানা দুঃখ-কষ্টের কথা।

জানা যায়, বকুলের বাবা মহির উদ্দিন পুলিশের চাকুরি শেষে ১৯৯৯ সালে দিনাজপুরের চিরিরবন্দর থানা থেকে অবসরগ্রহণ করেন। সেই সময়ে বিক্রি করেছেন পেনশন। এরপর ২০১৪ সালে মারা গেছেন মহির উদ্দিন। সততার সঙ্গে চাকুরি করতে গিয়ে সংসারে টানাপোড়েন লেগেই ছিল। এমতাবস্থায় বকুল আহমেদ বকু জীবিকার তাগিতে ঢাকার একটি রিকশা গ্যারেজে মিস্ত্রি হিসেব কাজ করছিলেন। দাম্পত্য জীবনে স্ত্রী ও তিন ছেলে নিয়ে তার সংসার। এরই মধ্যে ২০২২ সালের জুলাইয়ে ‘মটর নিউরণ ডিজিজ’ নামের একটি দূরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হন। এ থেকে সুস্থ্য হওয়ার চেষ্টায় চিকিৎসেবায় প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকা ব্যয় করেছেন। এখন স্ত্রী সন্তান নিয়ে কোনমতো জীবিকা নির্বাহ তার।

ইতোমধ্যে নিজের জমি, গরু-ছাগল বিক্রি করাসহ বিভিন্নভাবে ঋণ নিয়ে চিকিৎসা চালানো হয়। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে একদম নিঃশ্ব হয়ে পথে বসেছেন বকুল। যতই দিন যাচ্ছে ততই অসুস্থতা বেশী দেখা যাচ্ছে তার। এমতাবস্থায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছে তাকে উন্নত চিকিৎসা দরকার। এতে ব্যয়বহুল খরচ করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছি পরিবারটির। এখন নিজেকে বাঁচাতে মানুষের কাছে সাহায্যের আকুতি করছেন বকুল।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে অসুস্থ বকুল আহমেদ বকু কান্নাজড়িতে কন্ঠে জানান, অভাব-অনটনের সংসার তার। তাদের নুন আনতে যেন পান্তা ফুরায়। এখন টাকার অভাবে চিকিৎসাসেবা বন্ধ হয়েছে। সবাই যদি মানবিক সহায়তা করতেন, তাহলে হয়তো সুস্থতা হওয়া সম্ভব তার। সহযোগিতায় বিকাশ নাম্বার (বকুল) ০১৭১৫৬৪৩৩৬৫।