সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জমি দখল চেষ্টাকারীদের হমকিতে মা-মেয়ে আতঙ্কে

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার পোশাগী বেওয়া (৬০) নামের এক দরিদ্র বিধবার জমি দখল চেষ্টার অভিযোগ ওঠেছে। প্রতিপক্ষ মতিয়ার রহমান মধু মিয়াদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ। বর্তমানে অভিযুক্তদের অব্যাহত হুমকিতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন পোশাগী বেওয়া ও তার মেয়ে কল্পনা বেগম (৩৭)।

সম্প্রতি গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের ছোট দাউদপুর গ্রামে দেখা গেছে অসহায় দরিদ্র মা-মেয়ের চরম আতঙ্কের দৃশ্য। এসময় বিধবা পোশাগী ও কল্পনা বেগম হতাশায় ভুগছিলেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ছোট দাউদপুর গ্রামের মৃত আয়েজ উদ্দিনের ছেলে ভোলা মিয়া দাউদপুর মৌজাস্থ জমি দলিলমূলে ক্রয় করেন। এরই মধ্যে একই গ্রামের মৃত নছির উদ্দিনের ছেলে মতিয়ার রহমান মধুসহ তার অন্যান্য ভাইয়েরা ভোলা মিয়ার ওই জমিটি দখলের পায়তারা করতে থাকে। উভয় পক্ষের এই দ্বন্দ্ব নিরসস না হতেই মারা গেছেন ভোলা মিয়া। বিদ্যামন পরিস্থিতিতে মৃত ভোলা মিয়ার স্ত্রী পোশাগী বেওয়া ও তার মেয়ে কল্পনা বেগম ওই জমি উদ্ধারের জন্য স্থানীয়ভাবে একাধিক সালিস আয়োজন করেন। কিন্তু মতিয়ার রহমান মধুরা এসব সালিসে অংশগ্রহণ করেনি। উল্টো পোশাগী ও কল্পনা বেগমকে হত্যার উদ্দেশ্যে বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদর্শন করে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু তায় নয়, পোশাগী ও কল্পনাদের হয়রানি করার জন্য ইতোমধ্যে একটি মিথ্যা মামলা করেছে মতিয়ার রহমান মধু।

এ ঘটনায় ভূক্তভোগি কল্পনা বেগম বলেন, আমরা অতিদরিদ্র মানুষ। আমার বাবার ক্রয়কৃত জমি দখলের পায়তারা করছেন প্রতিপক্ষ মতিয়ার রহমান মধু, মফিজল মিয়া, এচাহাক আলী ও ফুলমিয়া আনিছার রহমানেরা। তারা আমাদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলেছে। এ বিষয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আর এই অভিযোগ দায়ের পর মধু মিয়ারা ক্ষুব্ধ হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। একইসঙ্গে বিভিন্ন সময়ে হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছে। এ অবস্থায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মতিয়ার রহমান মধুরা বলেন- হেবাবিল এওয়াজ দলিলমূলে ওই জমির মালিক আমরা। জমিটি আমাদের দখলে নিতে হবে।

সাদুল্লাপুর থানার সহকারী উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এএসআই) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে কল্পনা বেগম নামের এক নারীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সরেজমিনে যাওয়া হয়। বর্তমানে ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে।

 

জমি দখল চেষ্টাকারীদের হমকিতে মা-মেয়ে আতঙ্কে

প্রকাশের সময়: ০৩:০৭:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৪

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার পোশাগী বেওয়া (৬০) নামের এক দরিদ্র বিধবার জমি দখল চেষ্টার অভিযোগ ওঠেছে। প্রতিপক্ষ মতিয়ার রহমান মধু মিয়াদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ। বর্তমানে অভিযুক্তদের অব্যাহত হুমকিতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন পোশাগী বেওয়া ও তার মেয়ে কল্পনা বেগম (৩৭)।

সম্প্রতি গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের ছোট দাউদপুর গ্রামে দেখা গেছে অসহায় দরিদ্র মা-মেয়ের চরম আতঙ্কের দৃশ্য। এসময় বিধবা পোশাগী ও কল্পনা বেগম হতাশায় ভুগছিলেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ছোট দাউদপুর গ্রামের মৃত আয়েজ উদ্দিনের ছেলে ভোলা মিয়া দাউদপুর মৌজাস্থ জমি দলিলমূলে ক্রয় করেন। এরই মধ্যে একই গ্রামের মৃত নছির উদ্দিনের ছেলে মতিয়ার রহমান মধুসহ তার অন্যান্য ভাইয়েরা ভোলা মিয়ার ওই জমিটি দখলের পায়তারা করতে থাকে। উভয় পক্ষের এই দ্বন্দ্ব নিরসস না হতেই মারা গেছেন ভোলা মিয়া। বিদ্যামন পরিস্থিতিতে মৃত ভোলা মিয়ার স্ত্রী পোশাগী বেওয়া ও তার মেয়ে কল্পনা বেগম ওই জমি উদ্ধারের জন্য স্থানীয়ভাবে একাধিক সালিস আয়োজন করেন। কিন্তু মতিয়ার রহমান মধুরা এসব সালিসে অংশগ্রহণ করেনি। উল্টো পোশাগী ও কল্পনা বেগমকে হত্যার উদ্দেশ্যে বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদর্শন করে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু তায় নয়, পোশাগী ও কল্পনাদের হয়রানি করার জন্য ইতোমধ্যে একটি মিথ্যা মামলা করেছে মতিয়ার রহমান মধু।

এ ঘটনায় ভূক্তভোগি কল্পনা বেগম বলেন, আমরা অতিদরিদ্র মানুষ। আমার বাবার ক্রয়কৃত জমি দখলের পায়তারা করছেন প্রতিপক্ষ মতিয়ার রহমান মধু, মফিজল মিয়া, এচাহাক আলী ও ফুলমিয়া আনিছার রহমানেরা। তারা আমাদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলেছে। এ বিষয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আর এই অভিযোগ দায়ের পর মধু মিয়ারা ক্ষুব্ধ হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। একইসঙ্গে বিভিন্ন সময়ে হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছে। এ অবস্থায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মতিয়ার রহমান মধুরা বলেন- হেবাবিল এওয়াজ দলিলমূলে ওই জমির মালিক আমরা। জমিটি আমাদের দখলে নিতে হবে।

সাদুল্লাপুর থানার সহকারী উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এএসআই) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে কল্পনা বেগম নামের এক নারীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সরেজমিনে যাওয়া হয়। বর্তমানে ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে।