গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে টাকার লোভ দেখিয়ে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়েছে। ঘটনাটি উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের পূর্ব ঝিনিয়া গ্রামে ঘটেছে। ধর্ষিতা শিক্ষার্থী ওই গ্রামের মো. মনিরুল ইসলামের মেয়ে ও স্থানীয় ঝিনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
গতকাল শুক্রবার রাত ৮ টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হাকিম আজাদ।
তিনি বলেন, এ-র আগে বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে থানায় আছে। আইনী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান ওসি মো. আবদুল হাকিম আজাদ।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাত ৯ টার দিকে খাওয়া দাওয়া শেষে নিজ বাড়িতে একাই একটি আলাদা রুমে শুয়ে পড়েন ওই শিক্ষার্থী। পরে রাত সাড়ে ১২ টার দিকে দক্ষিণ ধুমাইটারী গ্রামের মো, মো. জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে মোঃ সজিব মিয়া (২০) ওই মেয়ের শয়ন ঘরের জানালার কাছে আসে এবং ডাকতে থাকে। এসময় শিক্ষার্থীকে ৫ হাজার টাকার প্রলোভন দেখালে সে দরজা খুলে বাহিরে বের হয়। পরে সজিব মেয়েটিকে সঙ্গে নিয়ে পূর্ব ঝিনিয়া গ্রামস্থ জনৈক চিটু বাবু (মাস্টার) এর বাঁশ ঝড়ে নিয়ে যায়। সেখানে মেয়েটি আরো দুইজন ব্যক্তিকে দেখতে পান এবং ভয়ে চিৎকার করেন। তখন ৩ জনে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন। এরপর ২ জন পালিয়ে যান এবং মেয়েটিকে সবজি তার বাড়িতে নেন। সেখানে দিনভর আপোষ মিমাংসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। নিরুপায় হয়ে বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ এ কল দিলে থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করেন।
পালিয়ে যাওয়া বাকি ২ ধর্ষক হলেন, একই ইউনিয়নের দক্ষিণ ধুমাইটারী গ্রামের মো, আনারুল ইসলামের ছেলে মোঃ সোহেল রানা (২০) ও মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো, নাহিদ মিয়া (২৫)।
জাহিদ, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 

















